শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন, জিতলেন কারা সিলেটে সাংবাদিককে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ, থানায় সাধারণ ডায়েরি পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজারের চোখে ৮ কারণে মমতার পতন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক আটক, পলাতক ১ কালীগঞ্জে সমবায় সমিতি লিঃ এর ৪০ তম বার্ষিক সাধারণ সভার বক্তব্য রাখেন একেএম ফজলুল হক মিলন (এমপি) আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ে টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ড. ইউনূস কর্মকাণ্ড তদন্তে রিট মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ইরানের সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করায় হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

‘একুশের গান’ এবং আবদুল গাফফার চৌধুরী

‘একুশের গান’ এবং আবদুল গাফফার চৌধুরী

বিনোদন প্রতিবেদক:
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ কালজয়ী এই গান বাংলা ভাষায় তো বটেই বিশ্বের ১২টি ভাষায় এখন গাওয়া হয়।

গানটির স্রষ্টা আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী। একুশের গান রচনা গাফফার চৌধুরীর জীবনের অন্যতম একটি ঘটনা। এই একটি গান তাঁকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। অনেকেই মনে করেন, এই গানটি তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবে যুগের পর যুগ; যতদিন বাংলা ভাষা পৃথিবীর বুকে থাকবে।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশ ভাষা আন্দোলনকারী ছাত্রদের মিছিলে গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার প্রমুখ ছাত্র হতাহত হয়। সে সময় ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি সেদিন ঢাকা মেডিকেলে যান আহতদের দেখতে।

ঢাকা মেডিকেলের আউটডোরে তিনি সেদিন ভাষা শহীদ রফিকের লাশ দেখেছিলেন। লাশটি দেখে তার মনে হয়, এ যেন তার নিজের ভাইয়ের রক্তমাখা লাশ। তৎক্ষণাৎ তার মনে গানের প্রথম দুটি লাইন জেগে ওঠে। এরপর তিনি গানটি লেখেন। তবে গান হিসেবে নয়, কবিতা হিসেবে এটি ‘একুশের গান’ শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের জন্য প্রকাশিত লিফলেটে।

প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি মানুষ এই গান গেয়েই ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। বিবিসি শ্রোতা জরিপে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় এটি তৃতীয় স্থান লাভ করেছে।

শুধু ভাষা সংগ্রাম নয়, পরে মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে এই গান প্রভাব রেখেছে। আবদুল গাফফার চৌধুরী দুর্দান্ত এক বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়ে গেলেন। নানামাত্রিক প্রতিভায় নিজেকে বিকশিত করেছিলেন তিনি। যখন যেখানে হাত দিয়েছেন, সেখানেই পেয়েছেন সাফল্য। সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে সমাদৃত তিনি। তবে গীতিকার হিসেবেও তাঁর নাম বাংলাদেশের বুকে থেকে যাবে চিরকাল। অমর হয়ে রইবেন তিনি অমর একুশের গানটির জন্য।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com