1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন

মদন তৃতীয় লিঙ্গকে বিবাহ করল মনির হোসেন দুই সন্তান রেখে ঘর ছাড়ল স্ত্রী।

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৪ বার পঠিত
৭৭

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়ার সঙ্গে মনির হোসেন (৩০)নামের এক যুবক
৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

মদন ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন এর ছেলে মনির হোসেনের সঙ্গে
খালিয়াজুরী উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের বোয়ালি গ্রামের জাফর উদ্দিনের সন্তান তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া
রানা মিয়া অরফে (রানী) হিজড়ার সাথে মনির হোসেন নামের এক যুবকের গভীর প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ের পিরিতে গড়ায়।

নেত্রকোনা কোর্ট আদালতের উকিলের অফিসে ১৯৬২ সনের মুসলিম শরিয়া আইনে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া নোটারি পাবলিক এভিড এভিড করেন তারা দুজনে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়,  মদন কান্দাপাড়া মাজার সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন তৃতীয় লিঙ্গের নারী ও পুরুষ (হিজড়া)।
রানা মিয়া নামের বোয়ালি গ্রামর জাফর উদ্দিনের ছেলে লিঙ্গ কেটে ফেলে দিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া
সেজে এলাকায় বাজারে বাজারে গিয়ে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল।
মনির হোসেন কে প্রায় সময় ফোনে ডিস্টার্ব করত এই কথিত রানা মিয়া ( রানী) হিজড়া টাকার লোভ দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে
মদন হিজড়া সমিতির সভাপতি গরু হিজড়া সানা মিয়া দুই রসন্তানের জনক মনির হোসেন ও রানী হিজড়া তাদের দুজনকে নেত্রকোনা নিয়ে গিয়ে উকিলের মাধ্যমে এভিড এভিডের মাধ্যমে তাদেরকে বিবাহ করানো হয় বলে জানা যায়।

এদিকে দুই সন্তানের জনক মনির হোসেন ও তার স্ত্রী সীমা আক্তারকে নিয়ে তাদের সংসার জীবন সুখেরই ছিল। হিজড়া সানা হিজড়ার পরিকল্পনায় ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে যায় তার সীমা আক্তারের সংসার জীবন।

গত ( ৮ আগস্ট )বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ  হয়।
বিয়ের পর থেকেই মনির হোসেনের বাড়িতে স্বামী স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে আসছিলো তারা।
হিজড়াকে বিয়ে করার পর তার স্ত্রী সিমা আক্তার দুই সন্তান ফেলে বাবার বাড়িতে চলে যান।

মনির হোসেন তার পরিবারের অভাব অনটনের কথা বলে টাকা রানী হিজড়ার কাছে থেকে
ফেরত প্রদানের শর্তে কিছু টাকা নেয়। পরে তা পরিশোধ না করার কারণে বিবাহ করতে হয় বলে জানান হিজড়া সভাপতি ঙসানা হিজড়া।

এদিকে মনির হোসেনের মা, বলেন, আমার ছেলে মনির কে হিজড়া সর্দারনি সানা মিয়া তার বাসায় ডেকে নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে উকিলের স্ট্যাম্পের মধ্যে সাইন করার কথা এক পর্যায়ে আমার ছেলে মনির সাইন করতে বাধ্য হয়।
সংসার ভাঙার কারণে এবং হিজাব
তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হবে।

এ ঘটনায় হিজড়া রানা মিয়া অরফে রানী হিজড়া বলেন, আমি মনির হোসেনের কাছে টাকা পাই টাকা দিতে না পারায় আমাকে নেত্রকোনা কোর্ট আইনজীবী অকিলের অফিসে গিয়ে আমাকে বিবাহ করেছে।

এদিকে মনির হোসেন স্ত্রী সিমা আক্তার বলেন, হিজরা সরদারনি সানা আমার এত বড় ক্ষতি করেছে আমার সুন্দর সংসার টা ভেঙে দিয়েছে।
আমি আইনের মাধ্যমে এর বিচার দাবি করি একজন পুরুষ হয়ে একজন পুরুষকে কি করে বিবাহ করে।

এলাকায় এ ঘটনায় আলোচনা সমালোচনা ঝর সৃষ্টি হয়েছে। অনেক রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ নাম না বলার শর্তে জানান, হিজড়া সানা মিয়া এলাকায় বেপরুয়া চলাচল এবং অন্যায় ভাবে হিজড়াদেরকে দিয়ে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনার সাথে জড়িত সে।
দুই সন্তানের মা, সীমার সংসারটা ভাঙ্গার কারণে হিজড়া রানী সহ মদনের হিজড়া সরদারনি সানা মিয়ায বিচার দাবি করেন। একটা সুন্দর সংসার কে ভেঙে দেওয়ার মত জঘন্য অপরাধ করেছে নিরুপায় হয়ে তার স্ত্রী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে দুইটা সন্তান নিয়ে।

মদন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..