1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

ধরুন্দা খালের ইজারাদার রুজেল এর বিরুদ্ধে শামুক নৌকাওলার কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত
৫২

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে “ধরুন্দ খাল” এর খাস কালেকশনে নেওয়া ইজারাদার রুজেল এর বিরুদ্ধে শামুক নৌকাওলার কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ।

চাঁদা বন্ধ এবং ধরুন্দ খালের খাস কালেকশন বাতিল ছেয়ে বৃহস্পতিবার( ৩০ জুলাই ) সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মদন উপজেলা গোবিন্দশ্রী গ্রামের খামারি ওয়ালিদ মিয়া( ৩৫)নামের এক হাঁসের খামারি এ আবেদন করেন।

হাঁসের খাবার হিসেবে ওই খাল থেকে শামুক উত্তোলন করে স্থানীয় জেলেরা হাঁসের খামারিদের কাছে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে।
ধরুন্দা খালের আশেপাশে শামুক ধরলে ইজারাদার রুজেল মিয়াকে দিতে হবে ২০ হাজার করে টাকা।
টাকা না দেওয়ায় শামুক ধরতে দিচ্ছে না ইজারাদার বিপাকে পড়েছে সাধারণ জেলেরা।

এমনকি জলমহালের সীমানার বাইরেও জেলেদের শামুক ধরতে নিষেধ করেন ইজারাদার। টাকা দিয়েই শামুক ধরতে বাধ্য করা হচ্ছে জেলেদের কে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খালীয়াজুরীর জগন্নাথপুর নুরপুর-বোয়ালী মৌজায় অবস্থিত লাচুয়ানি বিলের একাংশ ধরুন্দা খাল। খালটি মদনের শেষ ও খালীয়াজুরীর শুরু এলাকায় অবস্থিত। এ খাল ও আশপাশে গোবিন্দশ্রী ও বোয়ালি গ্রামের সাধারন জেলেরা মাছ এবং শামুক ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। এর মধ্যে বোরো ফসল নষ্ট হওয়ায় একমাত্র আয়ের উৎস মাছ ধরা।
মাছ ধরা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে সাধারণ জেলেরা শামুক ধরে হাঁসের খামারীদের কাছে বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চালায়। এটিও বন্ধ করে দিচ্ছেন ইজারাদার আমিনুল ইসলাম (রুজেল) মিয়া( ৪৫)।

নেত্রকোনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য নির্দেশ দিয়েছিলেন এলাকার জলমহল খাস কালেকশন না দেওয়ার জন্য। মাননীয় সংসদ সদস্যর আদেশ অমান্য করে ধরুন্দা খাল নাম মাত্র ১৬হাজার টাকার বিনিময়ে এবং অগোচরে আড়ালে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মেন্দিপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা খাস খালেকশন দিয়েছে। ইজারা নিয়ে আমিনুল ইসলাম রুজেল খালটি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডালপালা দিয়ে মাছ ফিশিং করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই বলেন, মাছ ধরা নিষেধ থাকায় শামুক ধরে জিবীকা নির্বাহ করি। ধরুন্দা খালটির খাস কালেকশন বাতিল করে এলাকার জেলে ও হাঁস খামারীদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

ধরুণদা খাল খাস কালেকশন ইজারাদার আমিনুল ইসলাম রুজেলের কাছে শামুকের নৌকাওয়ালাদের কাছ থেকে বিশ হাজার করে টাকা চাঁদা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার লোকজন কোন চাঁদা আদায় করেন আমিও চাঁদা আদায় করি না ।যারা অভিযোগ দিছে তারাই চাঁদা আদায় করছে। আপনারা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন
কারা শামুকের নৌকাদের কাছ থেকে ২০ হাজার করে টাকা চাঁদা আদায় করতেছে।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান তিনি বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..