1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

মদনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জন বহিষ্কার।

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত
৯৭

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদন উপজেলয় আলহাজ্ব মোজাফফর আহম্মেদ কামিল মাদ্রাসা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের অবাধে নকলে সহযোগিতা ও অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার, ট্যাগ অফিসারকে বহিষ্কার করেছেন মদন উপজেলা প্রশাসন।

অনিয়মের অভিযোগে বহিষ্কৃতরা হলেন মদন আদর্শ কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের প্রিন্সিপাল উক্ত পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব গাজী রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রের হল সুপার প্রভাষক শামসুল হক, ট্যাগ অফিসার মদন উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির এই তিনজনকে বহিষ্কার করে তাদের বিরুদ্ধে (৩ সদস্যে বিশিষ্ট ) তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মদন উপজেলা প্রশাসন।

শিক্ষার মান উন্নয়ন ফিরে আনার জন্য
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে সরকার।
গত ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষা আলহাজ্ব মোজাফফর আহমেদ কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা শর্তেও ছাত্র-ছাত্রীদের নকলের সুযোগ অবাধে বই দেখে লেখার সুযোগ করে দেওয়ার অপরাধে তিনজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এমনকি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শিক্ষকরা নিজেরা শিক্ষার্থীদের খাতায় লিখে দিচ্ছেন বলেও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই চিত্র দেখা গেছে মদন উপজেলার ‘আদর্শ কারিগরি বাণিজ্য কলেজ’ ও ‘জনতা কারিগরি বাণিজ্য কলেজ’-এর পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ‘আলহাজ মোজাফফর আহাম্মেদ কামিল মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে।

দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষা এবং একাদশ শ্রেণির বাণিজ্য শাখার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা অনায়াসে বই দেখে খাতায় লিখছে গত ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষার সিসিটিভির ক্যামেরা ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে আসবে সকল গোপন তথ্য।

কেন্দ্র সচিব এবং মদন আদর্শ কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের প্রিন্সিপাল গাজী রফিকুল ইসলামর
মোবাইল ফোনে একাধিক কল দেওয়ার পরে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

কেন্দ্রের হল সুপার প্রভাষক শামসুল হক তিনি বলেন, নকলের একটি ভিডিও ফুটেজকে বা কারা করেছে পরীক্ষা হলে এই কারণে আমাকে কেন্দ্র থেকে অব্যাহতি দিয়েছে সরকার টাকা দিয়ে কন্টাকে ছাত্রছাত্রীদেরকে পাশ করিয়ে দিবে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

 

পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানান, আমি থানা থেকে প্রশ্ন পত্র আনা এবং পরীক্ষা শেষে খাতা পত্র
থানা প্রশাসনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমার। পরীক্ষা হলে ছাত্রছাত্রীরা নকল করছে কিনা সব তো আমি দেখতে পারব না।
নকলের বিষয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রে গার্ডের দায়িত্বে যিনি আছেন তারা দেখবেন।এর বেশি কিছু তো আমি জানিনা।

তিন সদস্য তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মিজান বলেন, আমাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করে চিঠি দিয়েছে তদন্ত চলমান রয়েছে।

এ ঘটনা মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম তিনি বলেন, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার, কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার এই তিনজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তিনজনের বিরুদ্ধে তিন সদস্য বিশিষ্ট এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..