কিশোরগঞ্জ: প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ শহরের খরমপট্টি এলাকায় ২,৯৯,৫৪৮ টাকা বকেয়া রেখে অবৈধ বাইপাস বিদ্যুৎ লাইন সংযোগের ঘটনায় কিশোরগঞ্জ বিউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন ও ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতের কোর্ট পিয়ন মোঃ শফিক একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। দুই পক্ষই তাদের বক্তব্যের পক্ষে মোবাইল ফোনে রেকর্ডকৃত অডিও” আছে বলে দাবি করেছেন।
প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন যা বললেন*
কিশোরগঞ্জ বিউবো বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন মোবাইল ফোনে সাংবাদিককে বলেন, খরমপট্টির অবৈধ বাইপাস লাইন সংযোগের পুরো কাজটিই করেছে কোর্ট পিয়ন শফিক। তিনিই ম্যাজিষ্ট্রেটের নাম ভাঙিয়ে এই অবৈধ সংযোগ দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, শফিকের সাথে আমার এই বিষয়ে মোবাইলে কথা হয়েছে। সেই কথোপকথনের অডিও রেকর্ড আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।”
নিউজ প্রকাশের পর ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে দ্রুত অবৈধ লাইন কর্তন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কোর্ট পিয়ন শফিকের পাল্টা বক্তব্য*
অন্যদিকে কোর্ট পিয়ন মোঃ শফিক সাংবাদিকের কাছে এসে এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি এই জালিয়াতির সাথে জড়িত নই। আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।”
শফিকের অভিযোগ, প্রকৃতপক্ষে এই দুর্নীতির সাথে বিউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন* এবং কোর্ট পেশকার আতিক* জড়িত। তারাই দুর্নীতি করে আমার উপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন।”
তিনি দাবি করেন, “ইমতিয়াজ মামুন ও আতিকের সাথে আমার কথা বলার অডিও রেকর্ড আমার কাছেও আছে। আমি নির্দোষ। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”
নিউজের প্রেক্ষাপট*
উল্লেখ্য, গত ০৬/০৮/২০২৬ তারিখে খরমপট্টির হিসাব নং এ/৭১৯৬, মিটার নং ৬০৯৬৪৯ এ ২,৯,৫৪৮ টাকা বকেয়া থাকার পরও অবৈধ বাইপাস লাইন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিউবোর পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৩/০৮/২০২৬ তারিখে এ বিষয়ে দৈনিক যুগ-যুগান্তরে প্রথম রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।
সচেতন মহলের প্রতিক্রিয়া*
এই ঘটনায় কিশোরগঞ্জের সচেতন নাগরিকরা বলছেন, যেহেতু দুই পক্ষই অডিও প্রমাণের কথা বলছে, তাই অবিলম্বে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও আদালতের নাম ভাঙিয়ে দুর্নীতি করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সম্পাদকীয় নোট*: পত্রিকা উভয় পক্ষের বক্তব্য হুবহু প্রকাশ করলো। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এবং ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন সাহেব দৈনিক যুগ যুগান্তর পএিকার কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কে মোবাইল ফোনে বলেন যে উক্ত ঘটনা সম্পূর্ণ কোর্ট পিয়ন শফিক করেছে এবং এই কোর্ট পিয়ন শফিক নিজে ম্যাজিষ্ট্রেট এর নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ বাইপাস লাইন সংযোগ দিয়ে গ্রাহকের নিকট হইতে সুবিধা নিয়েছে প্রয়োজনে লিখিত দিবে বলেন সাংবাদিক কে ইমতিয়াজ আহমেদ মামুনের সাকুল্যে বক্তব্য অডিও রেকর্ড আছে, এবং কোর্ট পিয়ন শফিকের বক্তব্য ও অডিও রেকর্ড আছে সেই বক্তব্যর মাঝে পিয়ন শফিক বলেন থাকে ষড়যন্ত্র করে পাসানো হয়েছে এইসব অপরাধ ও দূর্নীতি করেন ইমতিয়াজ আহমেদ মামুন ও আতিক, শফিকের বক্তব্য ও অডিও রেকর্ড আছে,
বিস্তারিত আসছে পরবর্তী নিউজে*