1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের ফল রফতানির নতুন সম্ভাবনা চীনের বাজারে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত
২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চীনের বিশাল ভোক্তা বাজারে বাংলাদেশের ফল ও কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ লক্ষ্যে চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আগামীকাল শুক্রবার শুরু হচ্ছে মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬। এবারের আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো কো-অর্গানাইজার বা সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

মেকং-লানচান অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ফল উৎসবে বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাজা ও শুকনো ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য প্রদর্শন করবে। একই সঙ্গে চীনা আমদানিকারক, ক্রেতা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের রফতানিকারকেরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুনমিংয়ের এই আয়োজন বাংলাদেশের জন্য শুধু পণ্য প্রদর্শনের একটি প্ল্যাটফর্ম নয়। চীনের বাজারে দেশীয় কৃষিপণ্যের পরিচিতি বাড়ানো, নতুন ক্রেতা খোঁজা এবং দীর্ঘমেয়াদি রফতানি সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রদর্শনী থেকে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ

২১ আগস্ট শুরু হওয়া মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে হাজির হবে। বিশেষ করে তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, শুকনো ফল এবং কৃষিভিত্তিক খাদ্যপণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উৎসবে বিভিন্ন দেশের ফল প্রদর্শনী ও বিক্রির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, ক্রেতা-বিক্রেতার যোগাযোগ এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানের সুযোগ থাকবে। ফলে বাংলাদেশি রফতানিকারকদের জন্য সরাসরি চীনা ক্রেতাদের চাহিদা বোঝা এবং সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

চীনের বিপুল ভোক্তা বাজারে বাংলাদেশের আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন সেই সম্ভাবনাকে বাণিজ্যিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।

ইপিবি-ইউনান সমঝোতায় বাড়ছে সুযোগ

বাংলাদেশের এবারের অংশগ্রহণের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং চীনের ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)।

এই সমঝোতার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি রফতানিকারকদের জন্য ইউনানের নির্দিষ্ট এলাকায় বেশ কিছু বাণিজ্যিক সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভাড়ামুক্ত বন্ডেড গুদাম ব্যবহারের সুযোগ, অফলাইন প্রদর্শনী স্থানে পণ্য প্রদর্শন, অনলাইন কমোডিটি প্ল্যাটফর্মে পণ্যের প্রচার এবং দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের মতো সুবিধা।

রফতানি সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে শুধু ক্রেতা পাওয়া যথেষ্ট নয়। পণ্য সংরক্ষণ, প্রদর্শন, পরিবহন, কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং দ্রুত বাজারে পৌঁছানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বন্ডেড গুদাম ও দ্রুত কাস্টমস সুবিধার মতো উদ্যোগ বাংলাদেশি রফতানিকারকদের জন্য বাস্তব বাণিজ্যিক সুবিধা তৈরি করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..