1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

লামায় গণশৌচাগার নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

মোঃ সাগর ( বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি)

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় সরকারি অর্থায়নে একটি গণশৌচাগার নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হলেও নির্ধারিত স্থানে এখনো কোনো গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়নি। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে নয়াপাড়া এলাকায় একটি গণশৌচাগার নির্মাণের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পস্থলে এখন পর্যন্ত কোনো নির্মাণকাজের দৃশ্যমান চিহ্ন নেই।

এ বিষয়ে ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্ধারিত স্থানে গণ
শৌচাগার নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু জায়গার মালিক জমি দিতে রাজি না হওয়ায় সেখানে কাজ করা সম্ভব হয়নি।

তবে চেয়ারম্যানের এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, জমির মালিক মামুন শুরু থেকেই প্রকল্পের জন্য জমি দিতে সম্মত ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-এর যোগসাজশে প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে কাজ করা হয়নি।

এ বিষয়ে জমির মালিক মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি জায়গা দিতে রাজি আছি। জায়গা দিতে আমার কোনোআপত্তি নেই।” তার এই বক্তব্যের পর চেয়ারম্যানের “জায়গা পাওয়া যায়নি” দাবির বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, জমির মালিক যদি প্রকল্পের জন্য জমি দিতে সম্মত থাকেন, তাহলে নির্ধারিত স্থানে গণশৌচাগার নির্মাণ করা হলো না কেন? আর যদি কাজ বাস্তবায়ন না হয়ে থাকে, তাহলে প্রকল্পের ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বরাদ্দ কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ব্যয় বা উত্তোলন করা হয়েছে?

এ ঘটনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মামুনুল ইসলামের দায়িত্ব পালনের বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবে বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা যথাযথভাবে সরেজমিনে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।

গণশৌচাগার নির্মাণ প্রকল্পকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..