1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরায় মঞ্চে না ডাকায় বিএনপি-জামায়াত নেতাদের অনুষ্ঠান বর্জন

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত
৩১

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি,

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সম্মাননা দেওয়ার সময়ে রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে আমন্ত্রণ না জানানোয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা অভিযোগ করেছেন, তাদের উপেক্ষা করায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

বুধবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

অনুষ্ঠানে চারটি শহীদ পরিবারের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের প্রাইজ বন্ড এবং আহত ৯৭ জন জুলাইযোদ্ধার প্রত্যেককে ৫০০ টাকা মূল্যের প্রাইজ বন্ড দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ১০১ জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল, সেক্রেটারি আজিজুর রহমানসহ বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রের দাবি, আলোচনা সভা শেষে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বক্তব্য শেষ করার পর পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমকে মঞ্চে ডেকে শহীদ পরিবার ও আহতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের কাউকেই মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এতে তাৎক্ষণিক বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নেতৃত্বে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বলে সংশ্লিষ্ট নেতারা দাবি করেন।

জেলা জামায়াতের আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল বলেন, মঞ্চে না ডাকার ঘটনাটি সত্য। এ কারণেই রাজনৈতিক নেতারা অনুষ্ঠান থেকে চলে এসেছেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নেতৃত্বে আমরা সবাই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেছি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতারা কেউ অনুষ্ঠান ত্যাগ করে যাননি। সবাই শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। চারজন শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে আমি ও পুলিশ সুপার সম্মাননা তুলে দিয়েছি। আহতদের হাতে সম্মাননা দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..