1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন

সিলেটের ‘মিতালী-১১১’ ট্রিপল মার্ডার: অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে এজাহার দাখিল

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩১ বার পঠিত
৩৫

 

সিলেটপ্রতিনিধি:

সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর ভবনে চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন নিহত এম এ সাত্তারের মেয়ে সেলিনা সুলতানা (৫৪)। দায়েরকৃত এজাহারে ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামকে মূল পরিকল্পনাকারী ও হুকুমের আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নাম আলোচনায় আসা ‘সেনসেশন’ বাবুল মিয়ার নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

​বিগত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সকালে নিজ বাসভবনে প্রবীণ প্রবাসী এম এ সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে দাফন-কাফন সম্পন্ন শেষে ১৪ আগস্ট বাদী থানায় এই অভিযোগ জ…
[10:39 am, 17/08/2026] Lucky Ahmed লাকি সিলেট: ​জাফলংয়ে ইসিএ এলাকায় পাথর-বালু লুটপাটের অভিযোগ; মান্না-দিলু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির দাবি

রিপোর্ট : লাকী আক্তার

​সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়ের পরিবেশগত সংকটাপন্ন (ECA) ঘোষিত ‘জিরো পয়েন্ট’ এলাকা থেকে অবাধে বালু ও পাথর উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেই একটি প্রভাবশালী চক্র জাফলংয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পিআইন (পিয়াইন) নদীর অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

​প্রধান প্রধান অভিযোগসমূহ:
​সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মান্না ও দেলোয়ার হোসেন দিলু-র নেতৃত্বাধীন একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলনের সাথে সরাসরি জড়িত।

​অবৈধ মজুদ ও পরিবহন: জিরো পয়েন্ট থেকে উত্তোলিত বালু-পাথর প্রথমে বল্লাঘাটের কাউছার মিলের নিচের সাইটে মজুদ করা হয়। পরবর্তীতে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠায় চক্রটি। দিনের আলোতেও অবাধে এই পরিবহন কার্যক্রম চলতে দেখা যায়।

​পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি: স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, পাথর ও বালুবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ২,০০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। জাফলং বিটে যে কর্মকর্তা আছেন খুব ভালো,সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।অতচ এই অর্থ আদায়ে থানা পুলিশের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন পরিবহন চালক ও ব্যবসায়ীরা।

​পরিবেশের ক্ষতি: অব্যাহত পাথর-বালু উত্তোলনের ফলে জাফলংয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদী ও পর্যটন সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

​স্থানীয়দের দাবি:
​বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হলেও এই চক্রের অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের জোর দাবি—অবিলম্বে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করতে হবে। একই সাথে ইসিএ এলাকার পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ এবং চাঁদাবাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..