শিরোনাম :
ইরানের সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করায় হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ঢাকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান শুরু মদন শিক্ষকের ধর্ষণে মাদরাসাছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা টাঙ্গাইলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বোরো মৌসুমে সরকারি দরে ধান সংগ্রহ উদ্বোধন ঢাকার পথে বাবর-খুররম শাহজাদ যশোর মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্যের রফতানিতে সহযোগিতা করছে সরকার’ সংসদকে প্রাণবন্ত করতে কাজ করবে নারী এমপিরা : মির্জা ফখরুল
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলে সম্মেলন করার তাগিদ

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলে সম্মেলন করার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
লকডাউন উঠে যাওয়ার পর সেপ্টেম্বরে আবার তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুরু হবে। রীতি অনুযায়ী আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগ শুধুই শোকের কর্মসূচি পালন করে। তাই আগামী মাসে একসঙ্গে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন, থানা ও উপজেলা এবং জেলা সম্মেলন শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর নাগাদ মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটিগুলোর সম্মেলন শেষ করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি তাগিদ রয়েছে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ডের। দলের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের ৭৮ সাংগঠনিক জেলা কমিটির ৪২টিই মেয়াদোত্তীর্ণ। সে হিসাবে অর্ধেকেরও বেশি জেলায় সম্মেলন করতে পারেনি বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি। এর প্রধান কারণ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর জানুয়ারিতে জেলা-উপজেলা সম্মেলনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামেন কেন্দ্রীয় নেতারা। রাজশাহী বিভাগের বগুড়া, জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এ কমিটি আর তেমন সময় পায়নি। এই সময় চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এই ভাইরাস ক্রমে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

এ বছর ফেব্রুয়ারিতে করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমলে উপজেলা সম্মেলন শুরু হয়। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগের ২৭ উপজেলার সম্মেলন শেষ করা হয়। ঢাকা বিভাগের কয়েকটি উপজেলারও সম্মেলন সম্পন্ন হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলা সম্মেলন শেষ করে জেলা সম্মেলন শুরু করার লক্ষ্য থাকলেও আবার করোনার থাবায় তা বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলে সম্মেলন আয়োজনের জন্য তাগাদা রয়েছে। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কেন্দ্রীয় নেতাদের এই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছি। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সম্মেলন অনুষ্ঠান ব্যাহত হয়েছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব সম্মেলন অনুষ্ঠানে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘দলের সভানেত্রীর একটি নির্দেশ রয়েছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলের সব কাউন্সিল শেষ করতে হবে। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শুধু মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে এখন সীমিত আকারে সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে। করোনার প্রকোপ কমে এলে সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু হবে। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন, নভেম্বরে উপজেলা এবং ডিসেম্বরের মধ্যে আওয়ামী লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ সাংগঠনিক জেলাগুলোর সম্মেলন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে সম্মেলন না হওয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আসছে না। এর ফলে স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীরা দ্বন্দ্ব-সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন। দলীয় কোন্দল কোথাও কোথাও সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। এক পক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে আরেক পক্ষের নেতাদের নামে বিষোদগার করছেন। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতারা এ রকম একটি ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছেন।

টানা ১২ বছরেরও বেশি সময় ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এই সময়ে দলটির জাতীয় কাউন্সিল হয়েছে চারটি। ২০০৯ ও ২০১২ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ২০১৬ ও সর্বশেষ ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এখন দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে পুরনো অনেক নেতাই বাদ পড়েছিলেন। সে সময় একঝাঁক তরুণ নেতার কাঁধে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেছে পরের তিনটি কমিটিতেও। তরুণরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দায়িত্ব পেলেও তৃণমূলে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন না হওয়ায় নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com