নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারী দল আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে গুম ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে রাজধানীর মগবাজারের রেলগেইট সংলগ্ন ডমিনো একোডিয়ান ভবনের ফ্ল্যাট মালিকদের।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডমিনো একোডিয়ান ভবনের ফ্ল্যাট মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি সাইদুল ইসলাম বলেন, ফ্ল্যাট মালিক ফাহমিদা ইমাম বৃষ্টি চারটি ফ্ল্যাটের মালিক। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফাউণ্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি নীতিমালা লংঘন করে তিনটি ফ্ল্যাটে ব্যাচেলর ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জ নিলেও তা তিনি এসোসিয়েশনকে দেন না। তার কাছে তিন লাখ টাকার বেশী সার্ভিস চার্জ বকেয়া রয়েছে।
সভাপতি আরো বলেন, ওই ব্যাচেলরদের লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার করে ওই ভবনে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালান বৃষ্টি। এ নিয়ে কথা বললে সরকারী দলের প্রভাব খাটিয়ে নানান হুমকি-ধামকি দেন। এ বিষয়ে একাধিকার থানায় অভিযোগ করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে বৃষ্টির ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফাউণ্ডেশনের নেতা পরিচয় দিয়ে সরকার ও প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছেতাই করে করে চলেছেন এই মহিলা। যে কারণে ফ্ল্যাট মালিকদের সেখানে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই মালিকদের অধিকাংশই অবসারপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, মেয়র, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন কাজ হয়নি। যে কারণে গণমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে ফ্ল্যাট মালিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. বাদশা মিয়া, নজরুল ইসলাম, শামীম রশিদ, ডা. মো. খালেকুজ্জামান খান, মো. রফিকুল হায়দার চৌধুরী, কেশব কান্তি রায়, মো. আনোয়ার হোসেন, রাজিব কুমার বসাক, মো. রেজাউল করিম, শামীমা খানম, মিজানুর রহমান, রেদওয়ানুর রহমান ও রাধা রমন সাহা রায়।
এ বিষয়ে ফ্ল্যাট মালিক ফাহমিদা ইমাম বৃষ্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, এসোসিয়েশনের নামে ওই ফ্ল্যাট মালিকরা ভবনে অবৈধ ব্যবসা করতো, যেটা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে তারা এগুলো করছেন। তিনি কোন ব্যাচেলর ভাড়া দেননি বা তার কাছে কোন সার্ভিস চার্জ বকেয়া নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Leave a Reply