শিরোনাম :
ইরানের সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করায় হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ঢাকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান শুরু মদন শিক্ষকের ধর্ষণে মাদরাসাছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা টাঙ্গাইলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বোরো মৌসুমে সরকারি দরে ধান সংগ্রহ উদ্বোধন ঢাকার পথে বাবর-খুররম শাহজাদ যশোর মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্যের রফতানিতে সহযোগিতা করছে সরকার’ সংসদকে প্রাণবন্ত করতে কাজ করবে নারী এমপিরা : মির্জা ফখরুল
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার পলিটিক্সের শিকার হয়েছিলেন অভিষেক

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার পলিটিক্সের শিকার হয়েছিলেন অভিষেক

বিনোদন ডেস্ক:

অভিষেক চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন বটে, তবে শীর্ষ নায়ক হওয়ার দৌড়ে তিনি যেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে টেক্কা দিতে পারতেন না। সামনে এগোতে গিয়ে আবার পিছিয়ে যেতেন।
তবে একটা সময় তিনি এক নম্বর হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু বেশিদিন থাকতে পারেননি। এজন্য জীবদ্দশায় অভিষেক তার সমসাময়িক প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ‘ফিল্ম পলিটিক্স’কে দায়ী করেছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছিলেন, তখন আমি ইন্ডাস্ট্রির এক নম্বর নায়ক। প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা নোংরা পলিটিক্স করে ৩০-৩২টি ছবি থেকে আমাকে বাদ দেয়। দীর্ঘদিন কোনো কাজ পাইনি। ডিপ্রেশনে চলে যাই আমি।

কাজ না থাকায় আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন অভিষেক। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রাপালায় নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। অভিষেক বলেছিলেন, নোংরা রাজনীতির শিকার হতে হয়েছিল আমাকে। নয় বছর হাতে কোনো কাজ ছিল না। বাধ্য হয়ে যাত্রাদলে যোগদান করি। একটা সময় ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।

তবে অভিষেকের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তখন পাল্টা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি প্রসেনজিৎ। ঋতুপর্ণাও কখনো বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি।

জীবনের শেষদিকে ছোট পর্দায় কাজ করছিলেন অভিষেক। বড় পর্দায় সেভাবে দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, বয়স বেড়ে যাওয়ায় নায়ক-নায়িকাদের বাবার চরিত্রে অভিনয় করতে হবে বলে সিনেমার প্রতি আগ্রহ হারিয়েছিলেন। তাই সিরিয়ালেই অভিনয় করতেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com