আদালতে মামলা ,,যার নং ৭২১,, বিচারাধীন রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বাবুল চন্দ্র , ধণাঢ্য মুসলিম পরিবারের মেয়েকে বিয়ের জন্য হিন্দু র্ধম ত্যাগ করে মুসলিম র্ধম গ্রহণ করে নাম রাখেন মো: ইমরান চৌধুরী।বিয়ের সময় র্ধম ত্যাগের কথা গোপন রেখে বিয়ে। ১৯৯৮ সালে প্রতারক মোঃ ইমরান চৌধুরী এর সাথে ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহরানা ধার্য করিয়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন প্রকৌশলী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)। কিন্তু প্রতারক ইমরান চৌধুরী কাবিন রেজিস্টার এর সময় ০১/০৯/২০০০ ইং তারিখে দেনমোহর ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ১০ হাজার এক টাকা করে। প্রকৌশলী ও তাহার সাক্ষীগণ সরল বিশ্বাসে বিষয়টি টের পান নি।২৭/১২/২০১৬ ইং তারিখে তিন সন্তানের জননী প্রকৌশলী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) কাবিনের সার্টিফাইড কপি উত্তোলন করার পর তিনি এই প্রতারণার বিষয়টি উপলব্ধি করেন।শুধু তাই নয় প্রতারক স্বামী মোঃ ইমরান চৌধুরী ছিলেন ক্ষুদ্র হোমিও ব্যবসায়ী পরে জুয়েলারী ব্যবসা করার কথা বলে তার স্ত্রীর বাবার নিকট হতে ৩০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন যাহা অদ্যবধি ফেরত প্রদান করেন নাই।
প্রকৌশলী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ও ইমরান চৌধুরীর ওরস যাতে তিনটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এর মধ্যে ছেলে ২ টি ও মেয়ে ১ টি ।
শুরুতেই সংসার ভালোই চলছিল কিন্তু হঠাৎ ইমরান চৌধুরীর সংসারের প্রতি অনীহা আসলে ঠিক মতো বাসায় আসতো না।
পরে প্রকৌশলী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ২০০১সালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ইমরান চৌধুরীর অন্যত্র অরেকজন স্ত্রী ও তিনটি সন্তান আছে।
প্রকৌশলী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন বিয়ের সময় কাবিনের বিষয়টি সরল বিশ্বাসে মেনে নিয়েছিলাম ।কিন্তু পরে কাবিনের সার্টিফাইট কপি উত্তোলন করার পর প্রতারণার বিষয়টি আমি জানতে পারি।তিনি বলেন, ইমরান চৌধুরী আগে হিন্দু র্ধমের ছিল সেটা আমি জানতাম না বা আমার পরিবারও জানতো না।সংসার করার ইচ্ছা থাকায় সবকিছু মেনে নিয়েছি।পরে নিজের এবং সামাজিক আত্নসন্মানের কথা চিন্তা করে আমার বাবার নিকট হতে জুয়েলারী ব্যবসা করার জন্য ইমরান চৌধুরীকে ৩০ লক্ষ টাকা ধার এনে দেই যাহা অদ্যবধি পরিশোধ করেন নাই ।
তিনি আরো বলেন যখন ২০০১ সালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ইমরান চৌধুরীর অন্যত্র অরেকজন স্ত্রী ও তিনটি সন্তান আছে,,তখন থেকে আমার উপর নির্যাতন চালানো শুরু করে এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি।এভাবে এক পর্যায়ে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
আমি আমার নিজের বেতন এবং বাবার বাড়ির জমি জমা বিক্রি করে সন্তানদের মানুষ করি এবং তাদের মধ্যে দুজন এখন কানাডায় অধ্যায়নরত । দীর্ঘ ২২ বছরে তিন সন্তানের লেখা পড়া, খাওয়া-দাওয়া, পোশাক পরিচ্ছেদ ও উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডায় পড়াশোনা সহ আমার দেনমোহর ও বাবার দেওয়া ৩০ লক্ষ টাকা সহ তাহার নিকট মোট ৬ কোটি ৭৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আদালতের মাধ্যমে আবেদন করছি।বর্ণচোরা ইমরান চৌধুরীকে এ ব্যপারে গত ১২/০৭/২০২০ইং তারিখে আইনে নোটিশ প্রদান করে কোন সঠিক উত্তর পাই নাই। সর্বশেষ গত ১৩/১০/২০২২ ইং তারিখে আবার আইনি নোটিশ প্রদান করি তাহার ও কোন উত্তর প্রদান করে নাই।
বিবাদী ইমরান চৌধুরী একজন প্রতারক, লোভী, স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও না জানিয়ে অন্যত্র বিয়ে ও বিভিন্ন মেয়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক থাকা এবং সংসার ও সন্তান সন্তানাদির কোন খোজ খবর না রেখে আমাকে কষ্টের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে। আমি এই প্রতারক কাপুরুষের বিরুদ্ধে দেশের আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি। যাতে ভবিষ্যতে কোন নারীর জীবন ধ্বংস না হয় ও হাহাকার করতে না হয়।
Leave a Reply