তোফায়েল মাহমুদ (বাহার):
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিয়ের প্রলোভনে স্বামী পরিত্যক্তা ২২ বছর বয়সী এক
তরুণীকে ধর্ষণ,অতপর চার মাসের অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই
গ্রামের হেলাল উদ্দীন নামে এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। হেলাল উপজেলার মৌকরা
ইউনিয়নের খাটাচৌঁ গ্রামের হেদায়েত উল্যাহর ছেলে। এঘটনায় এলাকায়
ধ¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, এক বছর পূর্বে আদ্রা উত্তর ইউপির দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের মৃত
আব্দুল খালেকের ছেলে প্রতিবন্ধী আবদুল মান্নান সাথে ওই তরুনীর বিয়ে হয়।
ছেলে প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিয়ের প্রথম সপ্তাহে বাবার বাড়ী চলে আসে ওই তরুনী।
এরপর থেকে স্বামীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরই মাঝে হেলালের সাথে
তার প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায় অবৈধ মেলামেশায় জড়িয়ে অন্ত:সত্ত্বা হয়ে
পড়েন। এনিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ভক্তভোগী তরুণী বলেন, প্রায় সময় ওই গ্রামের স্থানীয় স্বপনের দোকানে
আসা যাওয়ারকালে হেলালের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে হেলাল
আমাকে বিয়ের আশ^াস দিয়ে হাবুর বাগানে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক
করে। সম্প্রতি হঠাৎ আমার পেটে ব্যাথা উঠলে উপজেলার একটি প্রাইভেট
হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে ৪ মাসের
অন্তঃসত্ত্বার রিপোর্ট আসে। পরে বিষয়টি আমি পরিবারকে অবগত করি। আমার
গর্ভে আসা সন্তানের পিতা হেলাল।
অভিযুক্ত হেলাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। একটি কু-
চক্রি মহল আমার পরিবারের সম্মান নষ্ট করার জন্য এ অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফারুক হোসেন বলেন,
এঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
Leave a Reply