শিরোনাম :
কালীগঞ্জে এগ্রো ফুড কোম্পানিতে র‍্যাব এর অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা পাটগ্রামে পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণের প্রতিবাদী মানববন্ধন পঞ্চগড়ের আলোচিত সেই এসপিকে প্রত্যাহার লামায় পর্যটন ও নিরাপত্তা আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত লামায় অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নতুন নিয়মে চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ই-লোন’ পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযানে ৩ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস সুধারামে দশ কিলো কাঁচা রাস্তায় খানাখন্দে প্রবাসীর অর্থায়নে মাটি ভরাট কর্মসূচি বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি সাভার তেঁতুলঝোড়ায় ১১ সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন আমানউল্লাহ আমান
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পঞ্চগড়ে ভূমি কর্মকর্তাদের লাগামহীন দুর্নীতি, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

পঞ্চগড়ে ভূমি কর্মকর্তাদের লাগামহীন দুর্নীতি, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

 

পঞ্চগড় প্রতিনিধি।। (পর্ব-১) পঞ্চগড়ে’র ভূমি সংশ্লিষ্ট কতিপয় আমলাতান্ত্রিক কর্মকর্তাদের লাগামহীন দুর্নীতির ফলে দিশেহারা হয়ে পরেছে সাধারণ মানুষ। জেলার অনেক ভূমি কর্মকর্তা আঙুল ফুলে কলাগাছ হলেও নিঃস্ব অনেক পরিবার। এতে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে জমি নিয়ে মারামারি অপরদিকে মামলা। দুয়ে মিলে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার পথে বসার উপক্রম। ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুরু করে অনেক উপর পর্যন্ত ভূমি সংশ্লিষ্ট অনিয়ম চলমান বোলে জানান ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। শুধু ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি’ই  নয় সরকারি জমি রক্ষার পরিবর্তে তা দিয়ে ব্যবসা করছেন সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা। জেলার সদর উপজেলা ও তেঁতুলিয়া উপজেলায় নদীর জমি নদী শ্রেণীভুক্ত না করে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা দিচ্ছে দাখিলা, পরবতীর্তে খারিজ, এরপর কেনাবেচা, সেটেলমেন্ট অফিস থেকে পর্চা। চলমান এই দুর্নীতির শেষ কথায় জানতে চায় সাধারণ মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড পঞ্চগড় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেঁতুলিয়া উপজেলায় ২০১৯- ২০২০ অর্থ বছরে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ভেরসা নদীর ১০ কিলোমিটার খনন করা হয়। ৩১ মে ২০২৩ইং তারিখে এর খনন কাজ শেষ হয়। এস এ নকশা অনুযায়ী ও চলমান নদীর যথেষ্ট মিল থাকলেও নদীর বিভিন্ন অংশের জমির মালিক ব্যক্তি। খারিজ, দাখিলা, মাঠপর্চা, কেনাবেচা সবকিছু হচ্ছে। একই ঘটনার কথা জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন স্থানের বসবাসরত সাধারণ মানুষ। আবার জমির মালিক না হয়ে জমি বিক্রি করে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে অনেকের। নেপথ্যে কতিপয় ভূমি সংশ্লিষ্ট আমলাতান্ত্রিক কর্মকর্তা। যারা নিজেরাও কয়েক বছরে কোটিপতি হয়ে গেছে। জেলার সদর উপজেলার দেবারু মোহাম্মদ জানান, আমার ২৩ শতক জমি। আমিরুলের ২৬ শতক। আমি সাড়ে সাত শতক জমির খারিজ পেয়েছি। বাকী জমি আমিরুল নিজের নামে নামজারি করে নিয়েছে। যতটুকু জমির মালিক সে তার থেকেও বেশি জমি নিজের নামে নামজারি আমিরুল কীভাবে করল তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারে নি। এদিকে ভুক্তভোগী বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসে খারিজ বাতিলের যে আবেদন দিয়েছি এবং পরে যে কাগজ হাতে পেয়েছি তাতে আমার সাক্ষ্যর জাল করা হয়েছে। যদিও লেখার পরিবর্তন করা হয় নি। আবেদনের ভিত্তিতে খারিজ সংশোধন করা হবে বোলে জানান, সহকারী কমিশনার ভূমি, পঞ্চগড় সদর; নারায়ণ চন্দ্র বর্মন। তবে ভুক্তভোগী বলেন, তারা যদি আমার সই জাল করতে পারে তাইলে তারা আর কিনা করতে পারে। স্থানীয়রা বলেন, ব্যক্তি- ব্যক্তি জমি নিয়ে মারামারি হয়। মামলা হয়। দোষীর সাজা হয়। কিন্তু এসবের নেপথ্যে থাকা আমলাতান্ত্রিক কর্মকর্তাদের কিছুই হয় না। অথচ তারা যদি সতর্ক হয়ে মালিকানা সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত জমির মালিককে কাগজ পত্র বুঝিয়ে দিত তাহলে জেলায় এতো মামলা, মারামারি, প্রাণহানি কিছুই ঘটতো না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com