শিরোনাম :
গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি গাইবান্ধায় ৩৫ দপ্তরের বিরুদ্ধে ১১৮ অভিযোগ, দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত  আটোয়ারীতে পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি কালীগঞ্জে এগ্রো ফুড কোম্পানিতে র‍্যাব এর অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা পাটগ্রামে পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণের প্রতিবাদী মানববন্ধন পঞ্চগড়ের আলোচিত সেই এসপিকে প্রত্যাহার লামায় পর্যটন ও নিরাপত্তা আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত লামায় অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নতুন নিয়মে চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ই-লোন’
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পানি বিষয়ক সমস্যার সমাধান না হলে দেশ মহাবিপর্যয়ে পড়বে

পানি বিষয়ক সমস্যার সমাধান না হলে দেশ মহাবিপর্যয়ে পড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘শান্তি, প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পানি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি : সৌজন্য

ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘শান্তি, প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পানি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি : সৌজন্য

পানি বিষয়ক সমস্যার সমাধান না হলে দেশ মহাবিপর্যয়ে পড়বে জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ নিরাপদ পানি আন্দোলন (বানিপা)।

শুক্রবার (২২ মার্চ) বিকালে ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘শান্তি, প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পানি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তরা।

 

পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খান-এর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন পবা’র সাধারণ সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বানিপা’র সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ । আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন (পবা)’র কার্যকরী সভাপতি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ নিরাপদ পানি আন্দোলনের সভাপতি প্রকৌ. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং নাসফের সাধারণ সম্পাদক ও পবা’র সম্পাদক জনাব মো. তৈয়ব আলী।

এ ছাড়া ছায়াতল বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠাতা সোহেল রানা, পরিবেশ কর্মী সৈয়দা অনন্যা রহমান, আবু মোকারাম সর্দার, বিশিষ্ট গাইনোকোলজিস্ট প্রফেসর ডা. বিলকিছ বেগম চৌধুরী আলোচনা সভায় তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি পবা’র ও গ্রীন ফোর্সের নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পানি বিষয়ে সচেতনতা ও গুরুত্বকে তুলে ধরার নিমিত্তে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ২২ মার্চ ‘বিশ্ব পানি দিবস’ পালন হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এ বছরও ‘বিশ্ব পানি দিবস’ পালিত হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ওয়াটার ফর পিস’, যা বাংলায় ‘শান্তির জন্য পানি’ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিপাদ্যটি সময়োপযোগী ও স্পর্শকাতর। প্রতিপাদ্যে পানিকে শান্তির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাই পানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার নিমিত্তে সঠিক ব্যবস্থাপনায় যেতে হবে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বিশ্বের ২৬ শতাংশ মানুষ সুপেয় পানি সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের ৪১ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পায় না।

মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বানিপা’র সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। মুল প্রবন্ধ পাঠে তিনি বলেন, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষা এবং খাবার পানি সরবরাহ, নৌ চলাচল, কৃষি ও শিল্প উৎপাদনে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। এ দেশে রয়েছে ছোট-বড় ৪০৫টি নদী। যার মধ্যে আন্ত সীমান্ত নদীর সংখ্যা ৫৭টি। ৫৪টি ভারতের এবং ৩টি মিয়ানমারের সাথে সংশ্লিষ্ট। দেশের নদীগুলোর ৪৮টি সীমান্ত নদী, ১৫৭টি বারোমাসি নদী, ২৪৮টি মৌসুমী নদী। মানুষের অত্যাচারে নদীগুলো আজ মৃতপ্রায়। দখল, ভরাট, আর বর্জ্যে নদীগুলো এখন নিস্তব্ধ স্রোতহীন এবং দূষণের ভারে পানি ব্যবহারের অযোগ্য এবং জীববৈচিত্র শূন্য হয়ে পড়ছে। ফলে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীবন-জীবিকা আজ মারাত্বক হুমকির সম্মুখীন। দেশের নদীগুলোর প্রায় প্রতিটিরই একই দশা। তিস্তার পানি প্রবাহ ব্যাপকহারে কমে গেছে। পদ্মা, তিস্তা এখন মৃতপ্রায়, যুমনায় পড়েছে চর। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা দখল, ভরাট ও দূষণের ভারে বিষাক্ত নিঃশ্বাস ফেলছে।

তিনি বলেন, বছরে ১.২- ২.৪ বিলিয়ন টন পলি নদীবাহিত হয়ে বাংলাদেশে ঢোকে। পলি পড়ে নদীগুলোর তলদেশ ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও নদীগুলো দখল, ভরাট ও দূষণের শিকার। ফলে নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে, নৌ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং নদীর পানি ব্যবহারের অনুপযোগী পড়ছে। ভাটির দেশ হিসাবে অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় আমাদের দেশে পানি সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে এবং নৌ চলাচল, সেচ ব্যবস্থা ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। নদীতে পানি কমে যাওয়া বা না থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরশীলতা ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানি কমে যাওয়া এবং নদী হারিয়ে যাওয়ার কারণে ভূ-উপরস্থ কিংবা ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতিনিয়ত নিচে নেমে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক পানিতে তলিয়ে যাওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি ঘাটতির অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। শুষ্ক মৌসুমে কৃষি কাজে ভুউপরিস্থ পানি মাধ্যমে পরিচালিত সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। ২০২০-২১ সেচ মৌসুমে সারা দেশে সেচকৃত জমির পরিমাণ ৫৬.৫৪ লক্ষ হেক্টর। ফলে বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণে সেচ কাজে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। ১৯৮০-৮১ সালে ২০,৯০০টি অগভীর নলকূপ এবং ২০১৭-১৮ সালে ১৩,৫৫,৮৫২টি অগভীর নলকূপ, ৩৭,৫৩৮টি গভীর নলকূপ এবং ১,৮১,৪৬৯টি অগভীর পাম্পের মাধ্যমে সেচ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মোট চাষকৃত জমির প্রায় ৭৩.৪৪ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি এবং বাকি ২৬.৫৬ শতাংশ ভূউপরিস্থ পানির দ্বারা সেচ করা হয়। মার্চ এবং এপ্রিল মাসে প্রায় ৪ লাখ অগভীর নলকূপ অকেজো হয়ে পড়ে। অতিমাএায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে, নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, বাড়ছে ঝুঁকি। কোনো কোনো এলাকায় সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। ভূগর্ভে কৃএিম রিচার্জ এবং কৃষি কাজে পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করার মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

আলোচনায় সভায় বক্তারা জানান, দেশের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষের আবাস রাজধানী ঢাকায়। যে সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে পানির চাহিদা। আর ঢাকা ওয়াসা সেই চাহিদা মেটাতে ভূগর্ভস্থ পানিই বেশি কাজে লাগাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাজধানীতে ভূগর্ভস্থ পানির উৎসের ওপর এই নির্ভরতা ৩০ ভাগে নামিয়ে আনতে না পারলে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করবে। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার পানি শোধনাগার রয়েছে পাঁচটি। তবে সংস্থাটি পানি পাচ্ছে চারটি শোধনাগার থেকে। ২০১০ সালে ঢাকা ওয়াসার উৎপাদিত পানির ৮০ শতাংশই ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে গভীর নলকূপের মাধ্যমে তোলা হতো। আর ২০ শতাংশ ছিল ভূ-উপরিভাগের পানি। সংস্থাটি ২০২৫ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ পানি ভূ-উপরিভাগ থেকে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেও এখনও এই হার মাত্র ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ বর্তমানে ওয়াসার দৈনিক উৎপাদিত পানির ৭০ শতাংশই ভূগর্ভস্থ উৎসের।

অন্যদিকে ঢাকার চারপাশের নদীর পানি দূষিত হওয়ার অজুহাতে ঢাকা মহানগরীতে বাড়ছে গভীর নলকূপের সংখ্যা। এক জরিপে দেখা যায়, ১৯৭০ সালে ৪৯টি গভীর নলকূপ ছিল। সেখানে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষিত পানি ব্যবহারের অনপুযোগী হয়ে পড়ায় ওয়াসা সুপেয় পানির চাহিদার শতকরা ৭৮ ভাগ ৯০০টিরও বেশি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ থেকে উত্তোলন করছে। এর মধ্যে ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ৪০০টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যক্তিপর্যায়ে ২ হাজার ৫০০টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতি বছর ২ মিটার করে নেমে যাচ্ছে। ১৯৭০ সালে ঢাকা শহরে ৬ মিটার মাটির নিচেই পানি পাওয়া যেত। ১৯৯৬ সালে ঢাকায় পানির স্তর ছিল ২৫ মিটারে, যা ২০০৫ সালে ৪৫ মিটার, ২০১০ সালে ৬০ মিটার এবং ২০২৪ সালে এসে ৭৫ মিটারে নেমেছে। ঢাকার ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা মেটাতে ওয়াসার ১ হাজার পাম্প ছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে স্থাপন করা অন্তত ২ হাজার গভীর নলকূপ দিয়ে প্রতিদিন ভূগর্ভস্থ পানি তোলা হয়। শুধু ঢাকা ওয়াসাই প্রতিদিন প্রায় ৩৩ লাখ ঘনমিটার ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে। ওয়াসার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৫ সালে ঢাকায় প্রতিদিন ৩৫ লাখ ঘনমিটার, ২০৩০ সালে প্রতিদিন ৪৩ লাখ ঘনমিটার এবং ২০৩৫ সালে প্রতিদিন ৫২ লাখ ঘনমিটার পানির চাহিদা থাকবে। ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে পানির স্তর নেমে যেতে পারে ১২০ মিটারে।

সুপারিশ সমূহ

১.ভূপৃষ্টের পানি ব্যবহার ব্যবহারের বিষয়টি নগর পরিকল্পনা, বসতবাড়ি পরিকল্পনা বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা। ঢাকা ওয়াসাসহ সকল নগরীতে ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নদী বা জলাশয়ের পানি ব্যবহারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে স্বল্প মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী মাস্টার প্লান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

২.প্রকৃতি ও পরিবেশবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনায় চাষাবাদ পদ্ধতির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা। কৃষি, শিল্পে ও ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূউপরিস্থ পানি ব্যবহার জন্য বিভিন্ন মেয়াদী মহাপরিকল্পনা মাফিক অগ্রসর হওয়া জরুরি।

৩.শিল্প-কারখানার পানির অপচয় রোধে পানির পুনর্ব্যবহারের নিমিত্ত ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপনের মাধ্যমে পয়ঃপ্রণালী ও ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত পানি পরিশোধন করা।

৪.বৃষ্টির পানি সোককুপ এর মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

৫.পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় আবাসিক/অনাবাসিক এলাকায় সেফটিক ট্যাংক ও সোককুপ স্থাপনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

৬.জলাধার রক্ষায় পানি আইনের কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

৭.পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষকে আগামী ২ বছরের মধ্যে ভূপৃষ্ঠের পানি ৯০% ব্যবহারের জন্য বাধ্য করা।

৮.নাগরিকদের মাঝে পানির গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৯.ড্রেজিং করে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করা এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১০.খরা মৌসুমে সেচ ও রাসায়নিক সার নির্ভর ধান চাষের পরিবর্তে প্রকৃতি নির্ভর ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

১১.অপরিশোধিত শিল্পকারখানায় বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্য, নৌযানের বর্জ্য, কঠিন বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধ করা।

১২.ঢাকার আশেপাশের নদীসহ অন্যান্য সকল নদী ও জলাশয় দখল, ভরাট ও দূষণ রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১৩.নদী দূষণমুক্ত করা। নদীর পানি কৃষিও শিল্পে এবং পরিশোধন করে খাবার পানি হিসাবে ব্যবহার করা।

১৪.নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা যথাযথ রাখার লক্ষ্যে নদীতে পিলারসমৃদ্ধ ব্রিজের পরিবর্তে ঝুলন্ত ব্রিজ বা টানেল নির্মাণ করা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com