যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে উত্তাল টিএসসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে উত্তাল টিএসসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

কারো হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা, কারো হাতে ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের প্ল্যাকার্ড, কেউবা গায়ে ফিলিস্তিনের পতাকা জড়িয়ে আসছেন। চারদিক থেকে একক ও দলবদ্ধভাবে সবাই টিএসসিতে জড় হওয়ার জন্য এসেছেন। সবার একই দাবি গাজায় গণহত্যা বন্ধ করা। বর্তমানে টিএসসির পুরো অংশ ‘নো স্কুল, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচির সমর্থনকারীদের দখলে রয়েছে।

সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় টিএসসি চত্বরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। বিকেল সাড়ে ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টিএসসিতে আন্দোলনকারীদের স্লোগানে মুখরিত দেখা যায়।
কর্মসূচিতে ‘তুমি কে আমি কে, ফিলিস্তিন ফিলিস্তিন’, ‘আমার ভাই মরল কেনো, জাতিসংঘ জবাব দাও’, ‘নেতানিয়াহুর দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’ প্রভৃতি স্লোগান দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মামুন হোসেন বলেন, ফিলিস্তিনে ইসারায়েলি বাহিনী যে হামলা চালাচ্ছে এর চেয়ে জঘন্য কিছু হয় না। সেখানে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম গণহত্যা চলছে। কিন্তু জাতিসংঘ নীরব। আমরা তাদের ধিক্কার জানাই। গাজায় আর একজন মুসলমান মারা গেলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেব।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, বোমার আঘাতে ছোট শিশুদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে এর চেয়ে কঠিন কোনো দৃশ্য হতে পারে না। আমরা আর একটা মানুষেরও মৃত্যু দেখতে চাই না। এই গণহত্যার অবসান চাই এবং ইসরায়েলের বিচার চাই।

এই আন্দোলনে অংশ নিতে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ সকলে সামিল হয়েছে। টিএসসির পুরো এলাকা এখন স্লোগানে মুখরিত। টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বড় এলইডি মনিটর লাগানো হয়েছে। তাতে দেখানো হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার দৃশ্য।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com