যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

অপারেশনের পর রোগীর মৃত্যু ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে গেল চিকিৎসক-নার্স

অপারেশনের পর রোগীর মৃত্যু ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে গেল চিকিৎসক-নার্স

বগুড়া প্রতিনিধি :

বগুড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পায়ুপথে ফোঁড়া অপারেশন করাতে গিয়ে মশিউর রহমান মিলু (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মশিউর রহমান মিলু বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জ পাড়ার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের বড়গোলায় ঢেউটিনের ব্যবসা করতেন।

সোমবার রাত ১০টার দিকে বগুড়া শহরের কলোনী এলাকায় রেইনবো কমিউনিটি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিলে ক্লিনিকের ডাক্তার ও নার্স পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এর আগে সোমবার দুপুরের পর মিলুকে রেইনবো কমিউনিটি ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. জাফর সাদিক রোগীর পায়ু পথে ফোঁড়া অপারেশন করেন।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ডাক্তার অপারেশন করে চলে যাওয়ার পর রাত ৯টার দিকে রোগীর অবস্থা অবনতি হতে থাকে। এ সময় ক্লিনিকে কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। এ নিয়ে ক্লিনিকের কর্মচারীদের সাথে তর্ক-বিতর্ক চলতে থাকে।
এক পর্যায়ে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হলে রোগীর লোকজন হৈচৈ শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ক্লিনিকে ভিড় জমায়। এ সময় ক্লিনিকের চিকিৎসক নার্স সেখান থেকে পালিয়ে যান।

রাত ১০টায় ক্লিনিকের একজন কর্মচারী অ্যাম্বুলেন্স ডেকে স্বজনদের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি করে রোগীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে খবর পেয়ে বনানী ফাঁড়ি থেকে পুলিশ পৌঁছে বহিরাগতদের ক্লিনিক থেকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, মারা যাওয়া ব্যক্তির লাশ দাফন হয়েছে। কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। মারা যাওয়া ব্যক্তিটি পায়ুপথের চিকিৎসা করাতে গিয়েছিল।

রেইনবো কমিউনিটি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারীরা জানান, ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাউছুল আজম সন্ধ্যার পর থেকে ক্লিনিকে থাকলে হৈচৈ শুরু হলে তিনি চলে যান। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ করে রাখেন।
বগুড়া শহরের বনানী পুুলিশ ফাাঁড়ির সহকারি উপ পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রাজ্জাক জানান, ক্লিনিকে পৌঁছে ডাক্তার, নার্স কাউকে পাওয়া যায়নি। রোগীর লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তড়িঘড়ি করে রোগীকে মেডিকেলে পাঠানো হয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com