শিরোনাম :
স্ত্রীকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করলেন প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ কালীগঞ্জে অনুমতি ব্যতিরেকে মাটি কাটায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা ও মাদকাসক্তের কারণে ১ মাসের কারাদন্ড  আটোয়ারীতে এস,কে এগ্রো কমপ্লেক্স স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল লমাইয়ে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নারীদের নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ‎লালমাইয়ে কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্র নিয়ে ডিসিদের জরুরি নির্দেশনা ফরিদপুরে মব সন্ত্রাসে নিহতের এতিম কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পঞ্চগড়ের বোদায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক জন নিহত
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

রাবির অধ্যাপক ইমেরিটাস আজহারুল ইসলাম

রাবির অধ্যাপক ইমেরিটাস আজহারুল ইসলাম

রাবি প্রতিবেদক :

গবেষণা, শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমে অসামান্য অবদান রাখায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলামকে প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে নিজ বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয় ২০২৪ সালে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতা অভিযোগ করেন সাবেক উপাচার্যের শ্বশুর জন্যই তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনা হতে থাকে। তবে ঢাকা মেইলের অনুসন্ধানে ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম সম্পর্কে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ৫৩৫তম সভায় তাকে প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া পূর্বেই তিনি বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের একজন হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন।

এর আগে, ২০১৩ সালের ৪ জুলাই ড. আজহারুল ইসলামকে প্রফেসর ইমেরিটাস নিয়োগদানের জন্য তৎকালীন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সোমনাথ ভট্টাচার্য বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটির আলোচনায় সভায় প্রস্তাব করেছিলেন। এসময় সভায় প্লানিং কমিটির ৭ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় প্লানিং কমিটির আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ড. আজহারুল ইসলামকে প্রফেসর ইমেরিটাস নিয়োগদানের জন্য সুপারিশ করে উপাচার্যের কাছে প্রেরণ করেন বিভাগীয় প্লানিং কমিটি। তবে আওয়ামী প্রশাসন সেই সময় বিভাগীয় প্লানিং কমিটির সকল সদস্যের মতামতকে উপেক্ষা করে ড. আজহারুলের বিষয়টি আমলে নেয়নি। এদিকে ৫ই আগস্টের পর নতুন করে বিভাগের আবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি আবারও সবার সামনে আসে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে তাকে এ পদে মনোনীত করা হয়।

বিশ্বমানের এই পদার্থবিজ্ঞানীর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা তার প্রাপ্য স্বীকৃতি বলে মনে করছেন। তাদের মতে, এটি শুধু একজন গবেষকের সম্মানই নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা বৃদ্ধিরও কারণ।

তবে এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক মনে করছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব তার ক্ষমতাবলে এ নিয়োগ দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম হলেন উপাচার্য নকীবের শ্বশুর। তবে কি তিনি শ্বশুর কোটায় প্রফেসর ইমেরিটাস হয়েছেন, নাকি নিজ যোগ্যতায়? চলুন বিষয়টি দেখে নেওয়া যাক।

প্রফেসর ইমেরিটাস হওয়ার যোগ্যতা:

প্রফেসর ইমেরিটাস হতে হলে অবসরপ্রাপ্ত স্বনামধন্য অধ্যাপক হতে হয়, যিনি শিক্ষকতা ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজীবন সম্মাননা হিসেবে এই উপাধি লাভ করেন। এটি সাধারণত অবসরের পর দেওয়া একটি সম্মানসূচক উপাধি। তাহলে প্রশ্ন আসে—এই যোগ্যতা কি প্রফেসর ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলামের রয়েছে?

শিক্ষা ও গবেষণায় ড. আজহারুলের অসাধারণ সাফল্য:

ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৬৯ সালে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি এবং ১৯৭২ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র প্রাথমিক কণা পদার্থবিদ্যা, অতিপরিবাহিতা, পদার্থের বৈদ্যুতিক কাঠামো এবং ম্যাক্স ফেজ-সংক্রান্ত বিষয়। জাপানি পদার্থবিজ্ঞানীদের সঙ্গে পেরোভস্কাইট-টাইপ অক্সাইড সুপারকন্ডাক্টরের সহ-আবিষ্কার তার গবেষণা জীবনের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই বিজ্ঞানী বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

দীর্ঘ প্রায় ছয় দশকের অধ্যাপনা:

অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম ১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা ৪৪ বছর অধ্যাপনা করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভাগীয় সভাপতি, বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পুরস্কার:

অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্বীকৃতি ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম আইএসইএসসিও (ISESCO) লরিয়েট হন ২০০১ সালে। ছাত্রজীবনে ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এমএসসি পর্যায়ে একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের জাতীয় স্বর্ণপদক অর্জন করেন। তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজে ১৯৭২ সালে পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে গবেষণা করেছেন এবং রয়্যাল সোসাইটির ফেলোশিপে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাজ্য, ভারত, জাপান ও ইতালিতে ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট হিসেবে গবেষণা করেছেন। তিনি লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্স এবং বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সের নির্বাচিত ফেলো।

প্রকাশনা ও গবেষণা তত্ত্বাবধান:

অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলামের মোট প্রকাশনার সংখ্যা ৫ শতাধিক। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে ৩১৫টি গবেষণা নিবন্ধ এবং বিজ্ঞান, শিক্ষা ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রায় ১৮০টি সাধারণ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি দেশে-বিদেশে প্রকাশিত ২৩টি গ্রন্থের রচয়িতা এবং একাধিক আন্তর্জাতিক কর্মশালার প্রসিডিংস সম্পাদনা করেছেন।

এছাড়া তিনি ১৪১ জন গবেষকের এমএসসি, এমফিল ও পিএইচডি গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালের প্রধান সম্পাদক, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও রিভিউয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ৩০টি দেশে একাডেমিক সফর এবং ৫৪টি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ তার বৈশ্বিক একাডেমিক সম্পৃক্ততার প্রমাণ বহণ করে।

প্রফেসর ইমেরিটাস নির্বাচন কমিটি গঠন:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দীন খানকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রফেসর ইমেরিটাস নির্বাচন কমিটির বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. এম. শমশের আলী ও রাবির বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. নাসিমা আক্তার। এছাড়াও দুইজন বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন জাপান অ্যাডভান্স ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (JAIST) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. রিও মিজোনো এবং মালয়েশিয়া পার্লিস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ চিক। নিজের আপন শ্বশুর হওয়ায় সেই কমিটিতে থাকেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এফ. নজরুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের দিকে প্রফেসর ইমেরিটাস হওয়ার জন্য ড. এ.কে.এম. আজহারুল স্যারের পক্ষে তৎকালীন বিভাগের সভাপতি অ্যাকাডেমিক কমিটিতে প্রস্তাব করেছিলেন। তখন তার গবেষণা, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং একাডেমিক অবদান পর্যালোচনা করে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে প্রফেসর ইমেরিটাসের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে তখন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয়করণের কারণে তার সেই ফাইল আর এগোতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ছাত্রজনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে পরিবর্তন আসে। তখন তার ফাইলটি পুনরুদ্ধার করে বিধি অনুযায়ী তাকে যথাযথ প্রাপ্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এটি আরও অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। এত বছর তাকে প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

প্রফেসর ইমেরিটাস নির্বাচন কমিটির সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ড. আজহারুল ইসলামের গবেষণা, প্রকাশনা ও সাইটেশনের সংখ্যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তার সমান সাইটেশন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো শিক্ষকের আছে কি না, আমার জানা নেই। ইমেরিটাস অধ্যাপক নির্বাচনের বোর্ডে থাকা দুইজন বিদেশি বিশেষজ্ঞও তার কাজের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত ও বর্তমান ইমেরিটাস অধ্যাপকদের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, তার আশেপাশেও কেউ নেই। তার এই নিয়োগ কেবল ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতি নয়; এটি দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা পরিমণ্ডলের জন্যও এক গর্বের।

ড. আজহারুল ইসলাম প্রফেসর ইমেরিটাস হওয়ার যোগ্যতা রাখেন কিনা জানতে চাইলে একই বিভাগের স্বনামধন্য প্রফেসর ইমেরিটাস ড. অরুণ কুমার বসাক বলেন, ড. আজহারুল ইসলামকে আমি আমার ছাত্র হিসেবে পেয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। তাকে ছাত্র জীবন থেকেই দেখছি, তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। আরও অনেক আগেই তার প্রফেসর ইমেরিটাস হওয়া উচিত ছিল কিন্তু যেভাবেই হোক তিনি হননি। ইমেরিটাস প্রফেসর হওয়ার জন্য ড. আজহারুল শুধু যোগ্যই নন– যথেষ্ট যোগ্য বলে আমি মনে করি। তাকে প্রফেসর ইমেরিটাস নিয়োগ দেওয়ায় আমি অত্যান্ত আনন্দিত এবং খুশি হয়েছি। এতে কেউ যদি সমালোচনা করে তাহলে সেটি তাদের ব্যাপার।

জানতে চাইলে ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এ.কে.এম. আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি মাত্র ২১ বছর ২ মাস বয়সে লেকচারার হিসেবে শিক্ষকতা জীবনে প্রবেশ করি। আমার মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করা। আমার তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠা বহু ছাত্র-ছাত্রী আজ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণায় নিয়োজিত আছে এবং দেশের কল্যাণে কাজও করে যাচ্ছে। আমাদের বিভাগের গবেষণায় সফলতার কারণে আমরা বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকেও অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে আছি। আমি সবসময় আমার ছাত্রছাত্রীদের গবেষণা ও দেশপ্রেমের প্রতি অনুপ্রাণিত করি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com