মোঃ মামুন ভুঁইয়া,
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা সদর পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডে প্রভাব শালী ভূমিদস্যু দের কবল হইতে জমি উদ্ধার করতে পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন, অভিযোগে জানা যায় অনুফা খাতুন তার স্বামী আঃ রাজ্জাকের পিতা মিয়াফর আলী জোত সুএে মালিক কিশোরগঞ্জ মৌজায় যাহার সি,এস খতিয়ান নং ১৯৪৭,দাগ নং ৪৩৩৬ শ্রেণী কান্দা পরিমাণ ৩৬ শতাংশ, এস,এ,খতিয়ান নং ৬২৯১ দাগ নং ৫৭০৪,৫৭০৬, ১৮+১৮+ ৩৬ শতাংশ এস,এ,রেকর্ড লিপিবদ্ধ হয়, মিয়াফর আলী ভোগ দখল থাকা অবস্থায় মৃত্যু বরন করিলে তার সাকুল্যে জমি দুই সংসারের ছেলে মেয়েরা ঘরোয়া আপোষ বন্টন মুলে মালিক হন,আর এস, খতিয়ান নং ৩৯০৩ অপরাপর দাগ সহ সাহেদ আলী, সরাফত আলী, আঃ রাজ্জাকের নামে মাট রেকর্ড লিপিবদ্ধ হয়, কিন্তু ৫৭০৪ দাগ ভাঙ্গিয়া বর্তমান দাগ ১৫৭৮৬, আঃ রাজ্জাক সেই জমিতে পৈত্রিক সুএে মালিক হইয়া নিজ নামে মাট রেকর্ড লিপিবদ্ধ হয়, আঃ রাজ্জাক তার নিজ হিস্যা থেকে হঠাৎ ৫৭০৪, ৫৭০৬, নং আর ও আর দাগে ১৮ শতাংশ জমির কাত ১৫ শতাংশ জমি ২৩/১/১৯৮৮ সালে তার স্ত্রী মোঃ হনুফা ওরফে অনুফা খাতুন কে ৬৫৭ নং বিল এওয়াজ হেবা দেন,ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন তার স্বামীর নিকট হইতে হেবা সুএে ১৫ শতাংশ জমির মালিক হইয়া ভোগ দখল থাকা অবস্থায় ১৮/৯/১৯৯৩ সনে ৬১১৩ নং দলিলে ৮ শতাংশ জমি বিক্রয় করে অবশিষ্ট ৭ শতাংশ জমিতে ভোগদখল থাকা অবস্থায় বিশেষ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় বিগত ২২/১/১৯ইং তারিখে ৬৫২ নং রেজিষ্ট্রি বায়না মুলে মোঃ মামুন ভুঁইয়ার নিকট ২১ লাখ টাকা দাম সাবস্ত করিয়া ১১ লাখ টাকা নিয়ে বায়না পএ করেন, কিন্তু জমি বায়না করার পর ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন বিক্রিত জমি আমিন ধারা মাপঝোঁক করে ক্রেতাকে বুঝিয়া দিতে গেলে, ভুক্তভোগী অনুফার ভাসুর পুএ সফিকুল ইসলাম বিল্লাল, রফিকুল ইসলাম হেলাল, সাইফুল ইসলাম দুলাল সর্ব পিতা মৃত সাহেদ আলী মেম্বার, গোলাপ মিয়া পিতা মৃত সরাফত আলী, গং ভুক্তভোগী অনুফা খাতুনের নিকট চাঁদা দাবি করে বলেন যদি দুই লাখ টাকা চাঁদা দেয় তবে জমি মাপঝোঁক করতে দিবে দাবী কৃত চাঁদা না দিলে জমিতে আসবার জন্য দিবেনা বলে হুমকি প্রধান করে বলে জানান ভুক্তভোগী অনুফা, তিনি বলেন আমার জমি আমি বিক্রয় করেছি থাহলে আমি তোমাদের কে চাঁদা দিবো কেন, ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন এইসব চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুদের আচরণ দেখে ভয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার প্রার্থী হইলে অনেকেই ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন কে আইনের পরামর্শ দেন এবং আইনি ভাবে সহযোগিতা নিবার কথা বলেন, ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন এদের কে আসামী করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, কিন্তু আসামীগণ প্রভাব শালী ভূমিদস্যু এদের মত লোকজন আওয়ামী লীগ দোষর প্রভাব দেখিয়ে ভুক্তভোগীর অভিযোগ থানায় লিখিত ভাবে দেওয়ার পর আসামীদের কে থানায় বারবার ডাকা সও্বে ও আসেন নি,পরে ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশাসনের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ও আইনি ভাবে সহযোগিতা পায়নি, বিধায় মাননীয় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কিশোরগঞ্জে একটি ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪/১৪৫/ধারা এইসব ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন যাহার মোকদ্দমা নং ১০৮/১৮ইং ও প্রসিডিং নং ৮০)৪,১৮ ইং উক্ত মামলায় কোর্ট হইতে ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন রায় ও ডিগ্রি পাওয়ার পর ও ভূমিদস্যু বিল্লাল বাহিনীর কবল হইতে এখন পর্যন্ত জমি উদ্ধার করতে পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী অনুফা, এবং আরও জানা যায় এইসব চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুদের নামে বিগত আমলে অনেক পএ পএিকায় প্রকাশ হয়েছে,
ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন তার বিক্রত জমি ক্রেতা কে বুঝাইয়া দিতে পারচ্ছেন না ও ক্রেতার নিকট হইতে ১১ লাখ টাকা নেওয়া ক্রেতা কে দিতে ও পারচ্ছেন না বলেন এই অভিযোগ কারী ভুক্তভোগী অনুফা খাতুন, সঠিক তথ্য প্রমাণ সহ আছে বলে দ্রুত এইসব অপরাধীদের কবল হইতে জমি উদ্ধার করার জন্য জোর দাবী জানান কিশোরগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের কাছে,