1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে অতি ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত
৬৩

চট্টগ্রামপ্রতিনিধি
বন্দর নগরী চট্টগ্রামে টানা অতি ভারী বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকার সড়কে হাঁটুপানি থেকে কোমরসমান পানি জমে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে বহু দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল, কর্ণফুলীর জোয়ার মিলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এমতাবস্থায় নগরের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়ক, হালিশহরের কে ও এল ব্লকের সোনালি আবাসিক, রামপুর, আনন্দীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জে হাঁটুপানি রয়েছে। গাছ ভেঙে পড়েছে ঈশান মহাজন সড়কে। গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে সড়কটিতে।

জোবায়ের হোসেন নামের এক চাকরিজীবী জানান, তাদের অফিস আগ্রাবাদ এলাকায়। কিন্তু সেখানে সকাল থেকে হাঁটুসমান পানি জমেছে। পানির কারণে অফিসে ঢুকতে বেগ পেতে হয়েছে।

কাতালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মাসুদ ফরহান বলেন, সকালে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে বাসা থেকে বের হতে হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা এলেই আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, নগরের কয়েকটি এলাকায় পানি জমে থাকার খবর পেয়েছেন। দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। আজ সকালে জোয়ারও যুক্ত হয়েছে। এ কারণে এসব এলাকায় পানি জমেছে। নালা ও খাল পরিষ্কার থাকায় পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে। তবে নগরের জলাবদ্ধতাপ্রবণ বেশ কিছু এলাকায়, যেমন মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেট এলাকায় পানি ওঠার খবর পাননি।

চট্টগ্রাম পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, রোববার রাত থেকেই মাঠপর্যায়ে মাইকিং করে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারী পরিবারগুলোর কাছে গিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..