গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডল :
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক উপমন্ত্রীর মর্যাদা লাভ করেছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যানদের উপমন্ত্রীর মর্যাদা প্রদান সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পর গাইবান্ধাসহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সিদ্ধান্তকে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে গাইবান্ধা জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
রাজনীতির মাঠে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ মেজর জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দীর্ঘ বছর রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে তিনি জেলা বিএনপির অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যদিও তিনি নির্বাচনে জান্নাতের টিকেট বিক্রেতার নিকট বিজয়ী হতে পারেননি, তবে নির্বাচনী এলাকায় তাঁর ব্যাপক গণসংযোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পরে দলের প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান, ত্যাগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জেলার নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বিবেচনায় তাঁকে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তে উপমন্ত্রীর মর্যাদা লাভ করায় তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যানদের উপমন্ত্রীর মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকও এ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।