খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
দীঘিনালা লংগদু ও খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া মহালছড়ি উপজেলায় একটি সেতু তলিয়ে যাওয়ায় মুবাছড়ি এলাকার সঙ্গে উপজেলা সদরের সরাসরি যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
মেরুং ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা মো. মারুফ হোসেন বলেন, আমাদের ঘর-বাড়ি-সড়ক পানির নিচে। খুব ভোগান্তিতে আছি।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, নিম্নাঞ্চল হওয়ায় মেরুং ইউনিয়নের ২০ গ্রাম প্লাবিত রয়েছে। উপজেলায় ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাত হাজারের বেশি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের জন্য খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে চেঙ্গী নদীতে পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে খাগড়াছড়ি শহরের বটতলী, মহিলা কলেজ এলাকা, টিটিসি ও রাজ্যমণিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে। পানি কমে যাওয়ায় অনেক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।
এছাড়া টানা বৃষ্টিকে জেলায় বন্যার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকিও বেড়েছে। ঘটছে ছোট ছোট পাহাড় ধস। তবে হতাহতের ঘটনা পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, জেলার ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নেওয়া লোকজন এবং পানিবন্দি পারিবারগুলোকে খিচুড়ি, পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।