1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

ফরিদপুরে সারের ডিলারশীপ, জানেনা কমিটির সদস্যরা।

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

গোলাম মোস্তফা মিরাজ,তাতী দলের ত‍্যাগি নেতা ও কৈজুরী ইউনিয়নের এডভোকেট মামুন উর রশিদ,ডিগ্রীরচর ইউনিয়নের প্রবীণ বিএনপিরনেতা আব্দুস সালাম,ও মোঃ রুবেল হোসেন দুলাল সহ প্রায়
৫০ জন নেতা কর্মিরা। ফরিদপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নেরনেতা কর্মিরা ক্ষোভে দুঃখ কষ্টের ফেসবুক এ মতামত ব‍্যাক্ত করে লিখেছেন ১৭ বছরহামলা মামলা নির্যাতনের শিকার আমারা কিন্তু দল ক্ষমতায় থেকেও সারের ডিলারশীপ পেলাম না,কর্মিটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের পছন্দের লোকদের লাইসেন্স দিয়েছে। সূত্রে জানা
যায় সার নিয়োগ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদস্য সচিব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সদস্যরা প্রতিটি ইউনিয়নের কৃষি ভি এস রা,এর সাথে আরো আছে উপজেলা প্রার্নী কর্মকর্তা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ত্রাণ অফিসের কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশাসনিক কর্মকর্তা একাধিক সরকারি ব‍্যাক্তিরা, সাধারণ ব‍্যাক্তি যারা
আছেন ৩ জন,(১)গন‍্যমান‍্য ব‍্যাক্তি হিসেবে আছে বিএনপির সদস্য রেজাউল ইসলাম (২)ব‍্যাবসায়ি প্রতিনিধি হিসাবে আছে কৃঞ্চ নগর ইউনিয়নের প‍্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি মোঃ নান্নু মোল্লা ও (৩)কৃষকদের প্রতিনিধি
হিসেবে আছে মফিজুর রহমান তার দলীয় পরিচয় কি জানতে পারি নাই। লেনদেনের বিষয়ে
উপজেলা নির্বাহী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য হাবিব মামুন জানান,আমি শুধু
নামেই কমিটিতে সব জানে নির্বাহী স‍্যার আর উপজেলা
কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেল তারা কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব। ত্রাণ অফিসের কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন পান্জু জানান সারের লাইসেন্স নিয়োগের বিষয়ে কিছু জানিনা আমি,আমাকে একদিন এক কৃষি কর্মকর্তা এক ইউনিয়নে নিয়ে গিয়েছিল এর বেশি কিছুই বলতে পারবো না। ব‍্যবসায়ি প্রতিনিধি নান্নু মোল্লা জানান স‍ারের লাইসেন্স কে পাবে কে পাবেনা এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা আমি নামে আছি সব কিছুই করতেছে সভাপতি আর সদস্য সচিব আমারা আছি শুধু মাত্র নামে,টাকার বিনিময়ে হয়েছে জানতে চাই তিনি বলেন
এ বিষয়ে দুই স‍্যার বলতে পারবে। তবে অপর কমিটির সদস্য ও বিএনপির নেতা রেজাউল ইসলাম জানান, যারা সারের ডিলারশীপ পেয়েছে তাদের কে যাছাই বাছাই করেই
লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে,এখানে কোন টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি,যারা ঐ কথা বলছে তার
বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে,তিনি আরো বলেন যারা লাইসেন্স পেয়েছে তারা সকলেই বিএনপির ত‍্যাগি নেতা। এ বিষয়ে কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
আনোয়ার হোসেন জানান আমারা তদন্তে করে যাদের কাগজ পত্র সঠিক পেয়েছেই তাদেরকেই লাইসেন্স দিয়েছি,যারা লাইসেন্স পায় নাই তারাই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে,আমরা কারো নিকট থেকে কোন টাকা পয়সা নেইনি।এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সভাপতি মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া সাথে তার সরকারি মোবাইল একাধিক যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি তার মোবাইল টি রিসিভ করেন নাই বিদায় তার বক্তব্য দেওয়া গেলো না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..