মোঃ সায়েখ উদ্দিন
সিলেট সোবহানিঘাট সিদ্দিক মার্কেট ২য় থলায় আমার কাজল ট্রান্সপোর্ট বিজনেস এর অফিস,
আমার একজন মেনেজার ছিলো মজিবুর রহমান মুজিব,উনার বাড়ি সুনামগঞ্জে, আমার এখানে মুজিব প্রায়, ৪ বছর দরে চাকুরী করতেন মেনেজার পোষ্টে, আমার অফিসে একদিন মুজিবের সাথে, হাবিবুর রহমান হাবিব সাহেব আসছিলেন,মুজিবের কাছ থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব সাহেবের সাথে আমার পরিচয়, আসা যাওয়ার মধ্যে আমাদের সম্পর্কটা তৈরি হয়ে উঠল, বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন কাজে, বিভিন্ন ধরনে অফিসিয়াল কাজ বা আমার ট্রান্সপোর্টের বিভিন্ন ঝামেলায়, অনেক কিছু উনি বুঝত জান্ত,আমি ফ্যামিলির সদস্য হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম হাবিবুর রহমান হাবিব কে, কয়েক বছর আমার সাথে হাবিবুর রহমান হাবিব ভালো চলাফেরা করছিল, কিন্তু হুট করে একদিন আমার কাছে সে অনেক বড় অংকের টাকা চায়, এই টাকা দেওয়ার মত আমার, সামর্থ্য ছিল না, কেননা সেই টাকার অংকটা অনেক বড়, আমি তার কথাবার্তা শুনে, আমার কাছে ভালো মনে হলো না, আমার সাতে সে কোব খারাফ আচরণ করে, তারপর উনার বিভিন্ন নির্যাতনে শিকার হই, আমি বাধ্য হয়ে, এমনকি ভয়ে, আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজনকে দিয়ে ফোন করে টেড দিত, বিভিন্ন সময় আমাকে হুমকি দিত, আমি আর মামলা করি নাই, আল্লাহর উপর বিচার দিয়ে বসে থাকতাম, কারণ হলো আমার বাড়ির ব্রাহ্মণবাড়িয়া আমি সিলেটে বিজনেস করি, তার সাথে আমি ঝগড়াঝাঁটি করে পারবো না, এক সময় সে আমার গায়ে ও হাত তুলতো,আমার কছে থেকে আমার হাতের সিক্রেচার করা চেগ ও নিয়ে জায়, বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আমার কাছ থেকে সে টাকাও নিয়ে যেত, আমি কান্নাকাটি ছাড়া কোনো উপায় ছিল না আমার,চিন্তা করলাম, সিলেট ছেড়ে চলে যাব, আবার চিন্তা করলাম সিলেটের ভিতরে আমার অনেক লেনদেন আছে, কেউ আমার কাছে টাকা পাবে, নয়তোবা আমি কারো কাছে পাবো, এসব রেখে তো যেতে পারি না, আমি একটা বিচারের আওতাধীন হলাম, একদিন সিলেট বিএনপির একজন নেতা ফোন করলো, ফোন করে হাবিবুর রহমান হাবিব এর টাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করছিল, আমি যেটা সত্য ছিল সেটা বলছিলাম, উনি আমাকে সময় দিল একদিন বসে সব কিছু দেখে দিবেন, এই সময় অনুযায়ী আমি গিয়ে উপস্থিত হলাম,ওনার বাসায় বসে আরো লোকজন উপস্থিত ছিল, একটা বিচারের আওতাধীন হলাম বিচারে সে প্রমাণ করতে পারল না এসে আমার কাছে অনেক টাকা পাবে, কিন্তু আমার সাথে অনেক চলাফেরার কারণে মানবিক চিন্তা করে, টাকা দাবি করবে না এমনকি আমার দেওয়া চেক গুলো দিয়ে যে মামলা করছিল, সে মামলাও নিজ খরচে উঠাবে বলে আমাদের এখানে একটা স্থায়ী বস্তু বিচার হয়, সে বিচারে আমি টাকা দিয়েছিলাম,হাবিবুর রহমান হাবিব কে, ৪ লক্ষ টাকা প্রধান বিচারক, বিএনপি নেতার কথা অনুসরণ করে উনার কথা মান্য হয়ে আমি হাবিবুর রহমান হাবিব কে ৪ লক্ষ টাকা দেই,ওইখানে প্রধান বিচারক আমাদেরকে একটা স্টাম্পের মাধ্যমে, আরো উপস্থিত বিচারিগণকে নিয়ে আমাকে সামনে রেখে, হাবিবুর রহমান হাবিব কে সামনে রেখে, সাক্ষী সামনে রেখে, একটা স্ট্যাম্প হয়, স্ট্যাম্প স্পষ্ট ভাষায় লিখা আছে, আমরা একে অন্যের উপর আর কোন দাবি-দবা নাই, এমনকি যে যার উপরে মামলা করেছে নিজ টাকায় সেই মামলাগুলো উঠানোর জন্য, কিন্তু হাবিব সাহেব আমার উপরে কোন মামলা উঠায় নাই, আমি হাবিবুর রহমান হাবিব সাহেবের উপরে কোন মামলা ও করি নাই, আজ থেকে ২-৩ দিন আগে, সিলেট ট্রাক সমিতির, একজন নেতা আমাকে কল করছিল, কল করে বলতেছে হাবিবুর রহমান হাবিবের সাথে ঝামেলা কি, আমি ওনাকে সব খুলে বলছিলাম, কিন্তু হাবিবুর রহমান হাবিব সাহেব, আমার ঐসব মিথ্যা ওনাদের কাছে বলে, উনাদেরকে নিয়ে আমার অফিসে চলে আসে, অফিসে এসে বসে আলাপ আলোচনা মাধ্যমে, আমার গত বিচারকদের স্টাম্প উল্লেখিত করি, তারপর হাবিবুর রহমান হাবিব ওই ওই স্টাম্প ও বিচার অস্বীকার করে, ট্রাক সমিতির সেই বড় ভাই, পূর্বের বিচারগণের প্রধান বিচারি কে ফোন করে, জিজ্ঞেস করল, উনি উত্তর দিল হাবিবুর রহমান হাবিব কে সে নগদ টাকা বুঝিয়ে দিয়েছে তারপর একটা স্টাম্পের মাধ্যমে উভয়পক্ষকে সাক্ষী রেখে সামনে রেখে এর সমাধান করে দিয়েছেন, ট্রাক সমিতির নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের দিকে তাকিয়ে বলল এরকম মিথ্যে বানোয়াট কথা বলে আমাদেরকে কেন নিয়ে আসছো, এই বলে উনারা এখান থেকে উঠে যায় আমার অফিস থেকে চলে যান উনারা, কিন্তুক আমি একজন নিরুপায় মানুষ আমি হাবিবুর রহমান হাবিবের অত্যাচারে যে কোন সময় আত্মহত্যা করতে পারি,হাবিবুর রহমান হাবিব আমাকে যে কোন সময় প্রানে মেরে ফেলতে পারে,আমি কোতোয়ালি থানা অধীনে মামলা করব আজকে গিয়ে আমার নিরাপত্তার জন্য ধন্যবাদ আমি আব্দুল কাইয়ুম কাজল (কাজল ট্রান্সপোর্টের) (স্বত্বাধিকারী মালিক) সিলেট সুবহানিঘাট সিলেট সিদ্দিক মার্কেট দ্বিতীয় তলায়