ডেমরা প্রতিনিধি:
সারাদেশে যখন বৈধ গ্যাস সংযোগের চেয়ে অবৈধ সংযোগের প্রবোনতা বেশি ঠিক তখনি সুযোগ নিচ্ছেন কিছু দালাল চক্র ও সুবিধা ভোগকারী গ্যাস চোরের মহল।২০১৩সাল থেকে সরকার গ্যাস সংযোগ বন্ধ করলেও থেমে নেই গ্যাস চোরেরা।তাহারা কোনো না কোনো ভাবে কারো মাধ্যমে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে যাচ্ছেন ।ফলে সরকার হারাচ্ছেন রাজস্ব।যখন অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগের মহাৎসব মিডিয়ায় প্রকাশ পায় টনক নরে গ্যাস কতৃপক্ষের।বিষয় গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করনে মরিয়া হয়ে ওঠেন তিতাস গ্যাস ট্র্যাস্টমিশন এন্ড ডিসট্রিভিউশন কোম্পানি লি:এর সংশ্লিষ্টগণ।
চিরুনি অভিযানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যখন অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন দিশেহারা তখন সুবিধা ভোগী গ্যাস ব্যবহারকারিগণ।কথায় আছে অতি লোভে তাতি নষ্ট।মাঠ পর্যায়ে গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য অনুসন্ধান কাজে বের হয়ে আসে থলের বিড়াল।তখন দিশেহারা সুবিধা ভোগকারীদের মুখ থেকে শোনা যায় নানান কথা।কেউ বলেন দালাল নিয়েছে টাকা দিয়েছে গ্যাস সংযোগ নিয়েছে গ্যাস বিল এখন মূলে দেখি কিছুই নেই।তাহারা বলেন দালাল চক্র গ্যাস অফিসের সাথে যোগসাজস করেই আমাদের কাছ থেকে বহু টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ব্রাম্মান্দি ইউনিয়নের ছোট বিনয়চর এলাকায় সরজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় দূর্নিতীর চিত্র।উক্ত গ্রামের দালাল শফিকুল ইসলাম শফির প্রতারনার শিকার সুলতান,আলম ও আহসানুল্লাসহ অনেকে বলেন বৈধ ভাবে লাইন দেওয়ার কথা বলে শফি দিয়েছেন গ্যাস সংযোগ নিয়েছে অনেক টাকা প্রতি মাসে দিয়েছি গ্যাস বিল জমা।
এ বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মী দালাল শফির বাড়ি হাজির হলে দেখা যায় আরো কিছু চিত্র।সুলতানের সত্তর হাজার টাকা দিয়ে শফির পিতার নামে নেয়া একটি চুলা থেকে ব্যবহার করছেন ছয়টি চুলা।এর সত্যতা শিকার করেন মৃত দালাল শফির ছোট ভাই নজরুল ইসলাম।দালাল শফির মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিয়ে আহসান উল্লাহ ব্যবহার করেন দুইটি চুলা।বৈধতা নেই সেই দুটি চুলারও।গ্যাস কতৃপক্ষের অনুমোধনবিহীন দুইটি চুলা থেকে আহসান উল্লাহ বিক্রি করেন সুলতানের নিকট একটি চুলা।এইরুপ রয়েছে ঐ এলাকায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগের ছড়াছরি।আরো জানা যায় এই অনৈতিক কাজের সাথে জরিত রয়েছে পরিচ্ছন্ন কর্মী প্রদিপ কুমার।ভুক্তভোগীরা বলেন আমরা চাই গ্যাস সংযোগের বৈধতা।দিব সরকারের কোশাগারে টাকা জমা।আমরা দালাল চক্র চাইনা।চাই গ্যাস কর্তৃপক্ষের সদইচ্ছায় সহযোগিতা।
Leave a Reply