যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

এক রাতে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

এক রাতে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীতে পৃথক এলাকা থেকে গৃহকর্মীসহ তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন-রামপুরা বনশ্রীর গৃহকর্মী সোনিয়া আক্তার (১৪), বংশাল নবাবকাটারা এলাকার আসমা বেগম (৪০) ও মুগদার ফারিয়া ওরফে রিয়া (১৭)।

সোনিয়ার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলা উপজেলায়। বর্তমানে রামপুরা বনশ্রীর সি ব্লক, ৮ নম্বর রোডের ২৪ নম্বর ৪ তলা বাড়ির দোতলার বাসায় কাজ করতেন তিনি। ঐ বাসাতেই তিনি থাকতেন।

গৃহকর্তা নাজগীর আহমেদ জানান, মাত্র দুই মাস আগে সোনিয়ার বড় বোনই তাকে বাসায় গৃহকর্মীর কাজের জন্য দিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাতে সবাই বাসায় ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে গৃহকর্তা বারান্দায় গিয়ে দেখেন ব্যায়াম করার জন্য ঝোলানো রিংয়ের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে সোনিয়া। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নামিয়ে ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে যান তারা। পরে খবর দিলে সেখান থেকে উদ্ধার করে পুলিশ তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই রাত আড়াইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিতে পারে, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি গৃহকর্তা।

এদিকে, বংশাল নবাবকাটারা ২৩/৫ নম্বর বাড়ির দোতলায় ভাড়া থাকতেন গৃহিণী আসমা। তার ছোট ভাই মো. রাজু জানান, দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে ১৮ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের কোনো সন্তান নেই। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে গত মাসের ২২ তারিখ স্বামীকে তালাক দেন তিনি। তবে সম্প্রতি তিনি নতুন করে আবার সংসার শুরু করতে আবার সাবেক স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন। তবে দেলোয়ার এতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়েই রাগ করে বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পাশের রুমের ভাড়াটিয়া দেখতে পেয়ে রাত দেড়টার দিকে খবর দেয় তাদের। তখন তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌসি আক্তার জানান, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মুগদা থানার পাশের গলির একটি বাড়ির ছয়তলা থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়া ওরফে রিয়ার (১৭) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ছয় মাস আগে তার বিয়ে হয়।

তিনি জানান, রিয়ার বাড়ি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায়। গত পরশুদিন চিকিৎসার জন্য সে গ্রাম থেকে মুগদায় তার এক আত্মীয়ের্ ঐ বাসায় আসেন। তবে বৃহস্পতিবার মোবাইলে মায়ের সঙ্গে রাগারাগি হয় তার। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com