নিজস্ব প্রতিবেদক:
লভ্যাংশ দাবি করে আট শ্রমিকের করা মামলার অবশেষে লিখিত জবাব দিলেন গ্রামীণ টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে এ লিখিত জবাব দাখিল করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আলম মামুন। আদালতে এদিন শ্রমিকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এ এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। গত বছর ৯ নভেম্বর শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির লভ্যাংশ দাবি করে গ্রামীণ টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসানের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলাটি করে শ্রমিকরা।
গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক সাত কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারী ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে আলাদা এ পর্যন্ত আটটি মামলা দায়ের করে। এসব মামলা গ্রহণ করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষকে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। শ্রমিক পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, সাত কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারী ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকমে কর্মরত ছিলেন। ২০০৬-২০০৯ অর্থবছরে কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়। শ্রম আইনে বলা আছে, শ্রম আইন কার্যকর হওয়ার দিন থেকে কোম্পানির লভ্যাংশের পাঁচ শতাংশ শ্রমিকদের কল্যাণ ও অংশগ্রহণ তহবিলে দিতে হবে। এ লভ্যাংশ না পাওয়ার কারণে প্রথমে তারা গ্রামীণ টেলিকমকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় গত ৯ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে শ্রম আইনের ২১৩ ধারায় আলাদা আটটি মামলা করেন, যা আদালতে চলমান রয়েছে।
Leave a Reply