কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোর-ছিনতাইকারী, মাদক সেবনকারী ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মাঝে ৯ জন চোর ও ছিনতাইকারী, ৮ জন মাদক সেবী এবং ৩ জন ধর্তব্য অপরাধে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া গ্রেপ্তারদের মধ্যে আদালতের পরোয়ানাভুক্তও দুজন ছিল বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।
চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা হতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন সাইফুল ইসলাম বাবু (২১), মো. ইসমাঈল ওরফে বাঘা (২৭) ও আমান উল্লাহ (২৬)।
চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সজিব দে (২৩), অপু দে (২২), রশিদ আহম্মদ (২২), আব্দুর রহিম (৩৩), নেছার উদ্দিন (২১) ও মো. আইয়ুবকে (২৫)।
তাছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৮ জন হলেন মো. এনামুল হক (২০), রবিউল হাসান (২৬), আব্দুল করিম (২৭), আবুল ফয়েজ (২৬), নুরুল আলম (২৬), এরশাদুল ইব্রাহিম (২০), মো. এহেছান (২০) ও আবু তৈয়ব (২৭)।
ধর্তব্য অপরাধে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মো. রুহুল আমিন (৫৯), মো. মোস্তফা (৬৮) ও মো. মাজেদ। তাদের মধ্যে রুহুল আমিন ও মোস্তফা কক্সবাজার পৌরসভার পশ্চিম বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা। আর মাজেদের বাড়ি উখিয়ার মধ্য রাজাপালং এলাকায়।
এ ছাড়া আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে মো. ইসমাইল (২৪) ও তৈয়বা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় সদর থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের মাঝে রয়েছে চোর-ছিনতাইকারী ও মাদক সেবনকারীসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।পাশাপাশি শহর ও আশপাশের এলাকায় অপরাধীদের তৎপরতা রোধে পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।