1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর বাংলাদেশ-চীন

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই।

এতে বলা হয়, বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় তিনি উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের জোর আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্তও করেন।

কৌশলে শুল্ক ফাঁকি: ব্যবহৃত কার পার্টসের আড়ালে ৪ বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি
আলোচনায় এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে জন্য এফবিসিসিআই, চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি) –এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য চীনের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত এক দশকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেক বৃদ্ধি পেলেও, চীনে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি অপেক্ষাকৃত অনেক কম। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে প্রায় ৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এর বিপরীতে চীন থেকে আমদানি করেছে প্রায় ১৮.১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। যা রপ্তানির তুলনায় প্রায় ২৬ গুণ বেশি। এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে চীনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..