যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ওপার বাংলার নায়িকাদের প্রিয় আম

ওপার বাংলার নায়িকাদের প্রিয় আম

বিনোদন ডেস্ক

আষাঢ়ের শুরুতেই আমের রসে মজেছে পুরো বাঙালি। এপার-ওপার বাংলার ফলের রাজা আম। সাধারণ মানুষ থেকে সেলেব্রেটি সবারই পছন্দ যে আম, সে কথা কমবেশি সবারই জানাশোনা। সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলার কয়েকজন জনপ্রিয় তারকা বলেছেন আম তাদের কতোটা প্রিয়। আর খেতেও কতোটা ভালোবাসেন আম।

পাওলি দাম: আমার সবচেয়ে পছন্দ গোলাপ খাস। আমের মৌসুমটার সবটাতে গোলাপ খাস পাওয়া যায় না। একটা নির্দিষ্ট সময় আছে গোলাপ খাসের। ছোটবেলায় বাবা ঠিক খুঁজে আমার জন্য নিয়ে আসতেন। গোলাপ খাসের গন্ধটা আমার অপূর্ব লাগে। ছোটবেলায় পিসির বাড়ি গিয়ে অনেক আম কুঁড়ানো-পাড়া হতো। বাবা অবশ্য এসব পছন্দ করতেন না। লুকিয়ে লুকিয়ে যেতাম। এমনকি বাবার বন্ধুদের বাগান বাড়িতে গিয়েও আম পেরেছি।

মুমতাজ সরকার: আম তো আমার সবচেয়ে পছন্দের ফল। সব ধরণের আমই আমার দারুণ ভাল লাগে। এ সময়টাতে দিনে একটার বেশি আম খাওয়া হবেই হবে। আমাদের বাগান বাড়িতে ভরতি আম গাছ। ছোটবেলায় আম কুঁড়ানো ছিল প্রতিদিনের কাজ। কাঁচা আম কাসুন্দি দিয়ে মেখে খাওয়ারার স্বাদের তুলনা নেই। আমের রস দারুণ লাগে। ম্যাঙ্গো উইথ হোয়াইট বাটার খুব পছন্দ করি। লবণ ছাড়া মাখন ফেটিয়ে তার মধ্যে আম মিশিয়ে খাওয়ার মজাটাই ভিন্ন। আমের সিজনে শুধু আম, এ বিষয়ে ডায়েট-ফায়েট চলবে না।

অপরাজিতা আঢ্য: আমাদের বাড়িতে ল্যাংড়া আমের গাছ ছিল। এখনো আছে সেই গাছ। ছোটবেলায় যখন ক্লাস সেভেন কী এইটে পড়ি তখন বন্ধুদের নিয়ে আম গাছে চড়তাম। আম গাছে চড়া নিয়ে কতোশত মজার ঘটনা যে আছে, বলে শেষ করতে পারবো না। আমের মধ্যে আমার প্রিয় হলো মধুগুলগুলি আম। ছোট রসালো হাত দিয়ে মুখের দিকটা ছিঁড়ে রস টেনে খাওয়া সে যে কী তৃপ্তি, বলার নয়। আম, ইলিশ আর লুচি ছাড়া বাঙালি হয় নাকি আবার! আমের সিজন মানেই রোজ আম চাই-ই।

তনুশ্রী চক্রবর্তী: আম আমার সবসময়ই প্রিয়। আম খেতে আমার দারুণ লাগে। ছোটবেলায় তো ডায়েট নিয়ে এতো চিন্তিত ছিলাম না। তখন মন ভরে আম খেতাম। লোকজন আলফানসো নিয়ে মাতামাতি করে, কিন্তু আমার ফেভারিট ল্যাংড়া আর হিমসাগর। শুধু পাকা নয়, কাঁচা আম কাসুন্দি দিয়ে, আমের আঁচার, আম ডাল, চাটনি সবই ভীষণ পছন্দের। কিন্তু দুঃখের কথা আর কী বলবো, এখন মাসে একটা আম খাওয়ার অনুমতি রয়েছে আমার। নায়িকা বলে ডায়েট করতে হয় যে!

সোনালি চৌধুরী: আম কুঁড়ানোর অভিজ্ঞতা আমার শৈশব থেকেই। বাপের বাড়িতে দু’টা আমের গাছ আছে। দুইটাই ল্যাংড়া আমের গাছ। তবে আমার পছন্দ হিমসাগর আম। আমি তো ডায়েটিশিয়ানকে বলেছিলাম, আমার ডায়েটে যা-ই রাখুন, আম রাখতেই হবে। দরকার হলে স্যুপ খেয়ে থাকবো। কাঁচা আম সরষের তেল, কাসুন্দি দিয়ে মাখা। আহা! আলফানসো আমও আমার দারুণ পছন্দ। মজার ব্যাপার কি জানেন? আমার বর ডেট করার সময় আমাকে একটা আলফানসো উপহার দিয়েছিল!

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com