শিরোনাম :
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

দুর্নীতি র বিরুদ্ধে লড়াই এর ডাক দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গাঙ্গুলী

দুর্নীতি র বিরুদ্ধে লড়াই এর ডাক দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গাঙ্গুলী

কলকাতা থেকে  দাতা মনোয়ার ইমাম।। আজ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী অশোক গাঙ্গুলী পশ্চিম বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি তে সকলকেই একসাথে লড়াই করার ডাক দিয়েছেন। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অশোক গাঙ্গুলী র বেঞ্চ এ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ফিরদাউস শামীম তার মক্কেল সেতাবদ্দিনের, দায়ের করা মামলা র শুনানির সময় বিচারপতি বলেন সারা পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন যায়গায় প্রাথমিক ও উচ্ছ্ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি করেছেন পশ্চিম বাংলার শিক্ষা কমিশন। তাই এই দুর্নীতি র মাথা কে ধরতে হবে। এবং এই লড়াই কারো একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সকলকেই একসাথে লড়াই করতে হবে। সেই সাথে সি বি আই মোট ২৩,লক্ষ, ও আম আর শিট তদন্ত করে মোট ৯৫২,জন, কে অবৈধ নিয়মে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানান এবং এই অবৈধ নিয়োগ দুর্নীতি র পিছনে রয়েছে পশ্চিম বাংলার শাসক দলের বিধায়ক ও সাবেক পশ্চিম বাংলার শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নিয়োগ দুর্নীতি র সাথে জড়িত শিক্ষা প্রার্থীদের কে বাতিল বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে পশ্চিম বাংলার সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে একটি রিট আবেদন করেন। এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাতিল হয়ে যাওয়া শিক্ষকদের চাকরি যাবে না। তারা চাকরি করতে পারেন বলে জানান ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই মামলার আসামিদের ধরতে কোন বাধা সৃষ্টি করা হবে না বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টে।আগামী দিনে এই মামলার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com