মোঃ সাগর (বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি)
এখন যেন লাগামহীন। অথচ প্রশ্ন একটাই—এসব অভিযোগের কি কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না? নাকি এখানে আইন, প্রশাসন ও জবাবদিহিতার কোনো কার্যকর প্রয়োগই নেই?
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের আলোচনায় জসিম উদ্দিনের ইতিহাস খুবই সমৃদ্ধ ও সার্বজনীন স্বকৃীত। তারপরও তদন্ত হচ্ছে না কেন?
আরও গুরুতর অভিযোগ—বিগত সময়ে তদন্তের নামে দায়সারা ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিবেদন দিয়ে অভিযোগগুলো আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—তদন্ত কি সত্যিই নিরপেক্ষ ছিল, নাকি তদন্তের নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই বারবার ‘নির্দোষ’ বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে?
কথিত আছে, তদন্ত কর্মকর্তারা এমন প্রতিবেদন দেন যে অভিযোগের কাঠগড়ায় থাকা ব্যক্তি শেষ পর্যন্ত ফেরেশতা হয়ে বেরিয়ে আসেন! যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তাহলে নিরপেক্ষ তদন্তে তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা হোক। আর অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নিতে এত ভয় কেন?
তাহলে কি জসিম উদ্দিনের প্রভাব বা কথিত ‘হেডাম’ এতটাই বেশি যে শিক্ষা বিভাগ, আইন ও প্রশাসনের হাতও সেখানে পৌঁছায় না?
নাকি—কেউ তাকে জবাবদিহিতার আওতার বাইরে রাখছে?
আমরা কারও বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত রায় চাই না। চাই নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং সত্যের প্রকাশ।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান—ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো আর ফাইলবন্দি করে রাখবেন না। প্রভাবমুক্ত তদন্ত করুন। অভিযোগ সত্য প্রমানিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিন।
কারও ব্যক্তিগত প্রভাবের কাছে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জিম্মি হতে পারে না।