(বাউফল -পটুয়াখালী)
ছাত্রীসংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত দক্ষিন হোসনাবাদ বালিকা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মালেক হুজুরের বিষয়ে যথাযথ বিচার না হওয়ায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা ও নানা গুঞ্জন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিভিন্ন সময়ে কিছু ব্যক্তি সহযোগিতা করছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এ ধরনের সহযোগিতার কারণে ঘটনার সুষ্ঠু নিষ্পত্তি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
এলাকাবাসীর কয়েকজন আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন করেননি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সালিশের কাগজপত্র ও উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।
সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে আর যেন কোনো ধরনের অস্পষ্টতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কোনো ব্যক্তি বা মহলের প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে এ বিষয় জানতে চাইলে সে বলে হিরু তালুকদার যে শালিস করছে আমি তা মেনে নিয়েছি আমার বিষয় সব অভিযোগ সত্য না তারপর ও মান সম্মানের দিকে চেয়ে মেনে নিয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য অস্টম শ্রেনীর ছাত্রীদের মতামত নেওয়া হয়েছে।দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীর অভিযোগের কপি সংগ্রহ করা হয়েছে।মাদ্রাসার সুপার এর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। দক্ষিন হোসনাবাদ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার বলেন তার বিষয় তিনটি অভিযোগ প্রথম টা সে ছাত্রীর পরিবারে সাথে টাকা দিয়ে মিমাংসা করছে সে ছাত্রীকে অল্প বয়সে বিবাহ দিয়েছে পরিবার।দ্বিতিয় অভিযোগ আসার পর তাকে শোকজ করা হয়েছে ছয় মাস পার হলেও সে শোকজ এর জবাব দেয় নাই । তিন নম্বর অভিযোগ নিয়ে এলাকার গন্য-মান্য ব্যাক্তি বীর মুক্তি যোদ্বা হিরু তালুকদার কে নিয়ে শালিস ব্যাবস্থা করা হয়েছে শালিস এর যে রায় দেওয়া হয়েছে সেটা সে পালন করে নাই ।