লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব ফকির পাড়া এলাকায় পরোকীয়া করে প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে,পরে প্রতারণা করে আবার দ্বিতীয় স্বামীকে পাঠালেন জেলে স্ত্রী ফারহানা আক্তার মুমু।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী স্বামী নুরনবী পরিবার।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সূত্রে জানা যায়, গত বছর ধরে পূর্ব ফকির পাড়া এলাকায় নুর-নবী ও একই এলাকায় জাহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী ফারহানা আক্তার মুমু পরোকীয়া সম্পর্ক তৈরি হয় এবং আত্নীয় স্বজন ও বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে যায় তারা,এর পর নুরনবীকে বিয়ে করতে চাপ সৃষ্টি করে,মুমু নয়তো আত্মহত্যা করার হুমকি দেয়।
এর পরে পরিবারের সদস্যদের আলোচনা সাপেক্ষে কাজী অফিসে বিয়ে সম্পুর্ন হয় তাদের।
এর পর নুরনবী ও মুমুর ৫ মাসের সংসার চলাকালীন সময়ে নুরনবী ও মুমুর ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসে মুমুর মা এরেই ফাঁকে সুকৌশলে নুরনবীর জমি বিক্রির ১০ লক্ষ্য টাকা ও দেনমোহর বাবদ ২ ভুরি স্বর্ণ মায়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় মুমু এরেই পরেই ঘটনার মোর নেয় উল্টো দিকে, মুমু তালাক কৃত প্রক্তন স্বামী জাহিদুর ইসলাম ও মুমুর মায়ের যোগসাজশে পাটগ্রাম থানা মুমু মামলা দায়ের করেন নুরনবী তাকে জোরপূর্বক প্রথম স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে এবং তার ইচ্ছা বিরুদ্ধে বিয়ে করে,উক্ত মামলায় পাটগ্রাম থানা পুলিশ, পাটগ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে নুরনবী কে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠায়।তবে নুরনবী পরিবারের দাবি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করে একটি মহিলা কি ভাবে ৫/৬ মাস সংসার করে এবং তার মা সহ অন্য অন্য স্বজনরা তার বাসায় যাওয়া আসা করে,
এই প্রতারণার তিব্র নিন্দা ও সঠিক তদন্তের দাবি করেন ভুক্তভোগী নুরনবী পরিবার।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মুমুর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সাইফুল ইসলাম জানা এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মহিলা ফারহানা আক্তার মুমু বাদী হয়ে ৭ জনের নামে থানায় একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় নুরনবী কে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।