1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন

রংপুরতিস্তার ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে পাউবো কার্যালয় ঘেরাও

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

রংপুর প্রতিনিধি:

তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রংপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিবছর ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।

রবিবার দুপুরে রংপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ও কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের শতাধিক বাসিন্দা। তারা মিছিল নিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করেন এবং পরে প্রধান ফটকের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরেই ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা। কিন্তু কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় চলতি বর্ষায় গত এক সপ্তাহে প্রায় ৪৬টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন ও ফজলু মিয়াসহ অন্যরা। তারা অভিযোগ করেন, ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে পরিদর্শন ও আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ থাকছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীর ডান তীরে শহর, বসতি ও আবাদি জমি থাকায় সেখানে বাঁধ নির্মাণ করে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাম তীরে নদীটি কয়েকটি চ্যানেলে প্রবাহিত হওয়ায় চরাঞ্চলে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন।

তিনি বলেন, চরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য জিওব্যাগ ফেলা, বাঁশের পাইলিংসহ বিভিন্ন অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

স্থানীয়দের জানান, শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ অনেক কমে যায়। এতে নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় চর জেগে ওঠে এবং তিস্তা সেচ প্রকল্পও পানির সংকটে পড়ে। আবার বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ কয়েক লাখ কিউসেকে পৌঁছালে তীব্র স্রোতে নদীভাঙন দেখা দেয় এবং নদীতীরবর্তী জনপদ ঝুঁকির মুখে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..