বিনোদন প্রতিবেদক:
ভুলু বারী। সিনেমার একজন জুনিয়র শিল্পী হয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য তার সহায় হলো না জুনিয়র শিল্পী হয়েই শেষ করতে হলো অভিনয়ের ক্যারিয়ার। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অভিনেত্রী ভুলু বারী।
কিন্তু এখনো এফডিসিতে পড়ে থাকেন তিনি। শুটিং থাকুক বা না থাকুক এফডিসিতে গেলে সেখানে কেউ খুশি হয়ে কিছু দিলে তা দিয়ে চলে তার সংসার।
নিজের অবস্থার কথা জানিয়ে ভুলু বারি বলেন, সিনেমার কাজ থাকলে কিছু টাকা পাওয়া যায়। কাজ না থাকলেও এফডিসিতে গেলে অনেকে সহযোগিতা করেন। এবার তো বাসা থেকেই বের হতে পারছি না। তাছাড়া এফডিসিতেও এখন কেউ নেই। খুবই খারাপ সময় যাচ্ছে।
মোট কথা করোনার ঊর্ধ্বমুখি সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর লকডাউন, চলচ্চিত্রের শুটিং বন্ধ ইত্যাদি কারণে ভীষণ অভাব-অনটনে দিন কাটানোর কথা যখন জানাচ্ছিলেন তখন এও জানালেন তার এই অভাবের কথা শুনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বিকাশে পাঠিয়েছেন ১০ হাজার টাকা।
গণমাধ্যমকে ভুলু বারী বলেন, লকডাউনে খুব কষ্টে দিন যাচ্ছিলো। খবরটি শুনে পরীমনি আমাকে ফোন দেয়। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি উনি যে পরী। আমার খোঁজ-খবর জানতে চায়। খোঁজ খবর নেওয়ার পর আমার বিকাশ নাম্বার নেয়। পরে আমার বিকাশে দশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। এরপর বলে, প্রয়োজন হলে আমি যেন তাকে ফোন দেই।
বিষয়টি জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, এফডিসি আমার পরিবার। করোনাকালে পরিবারের লোকজনের খবর নিতেই পারি। যতদিন বাঁচবো সামর্থ অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের দেখে যাবো।
Leave a Reply