প্রথম পক্ষের ওমর গংদের আহতরা হলেন, আবুল কাশেমের পুত্র আবু জাফর (৩০), ওমর হোসেন দেওয়ান এর পুত্র জাহাঙ্গীর (৩০), প্রত্যক্ষদর্শী পার্শ্ববর্তী লালচান বাদশা’র স্ত্রী জাহানারা বেগম(২৫)।
অপর পক্ষের আহতরা হলেন, আবদুল জব্বার দেওয়ান গংদের বনি আমিন দেওয়ানের পুত্র মোঃ হাফেজ(৩০),শাহে আলম দেওয়ানের পুত্র বিলকিস(৪৫), বনি আমিন দেওয়ানের পুত্র রাছেল (৩৮)।
আব্দুল জব্বার গংদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোঃ রাসেল জানান, ঘটনার দিন সকালে আমাদের নামে থানায় অভিযোগ দাখিল করে। অভিযোগ পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে থানায় গিয়ে ফয়সালা করার জন্য যেতে বলে।
থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেই স্থানীয় রিপনের নেতৃত্বের ওমর, জাহাঙ্গীর, হারুন সহ কয়েকজন মিলে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে এ হামলার ঘটনা পরিকল্পিত হয়েছে বলে তার দাবি।
ওমর গংদের অমর হোসেন জানান, আমাদের ইট পাটকেল মারলে আমরা থানায় অভিযোগ করি। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে গেলে পুনরায় মারামারির ঘটনা ঘটে।এতে উভয় গ্রুপের লোকজন আহত হয়। তবে পার্শ্ববর্তী নারী জাহানারা বেগম আহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আহত জাহানারার বক্তব্য জানতে হাসপাতালের বেডে গিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।তাকে না পেলে কর্তব্যরত সিস্টার জানায়, অনেকে এরকম ভর্তি হয়ে আমাদের না জানিয়ে বাড়ীতে চলে যায়। হয়তবা সেও এরকম চলে গেছে। তবে তার ভর্তি ফাইল আমাদের কাছে সুংরক্ষিত আছে।
শশীভূষণ থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান,অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Leave a Reply