মোঃ আক্তারুজ্জামান রামগঞ্জ প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
গত কয়েক বছর থেকে লক্ষ্মীপুর, রামগঞ্জের, মাগুরা জেলা, শ্রীপুর উপজেলার,চরজোকা গ্রামের মোঃ শুকুর হোসাইনের ও আসমানী বেগমের পুত্র মোঃ সাগর হোসেন লক্ষ্মীপুর, রামগঞ্জে প্রান কোঃ তে মার্কেটিং প্রতিনিধি হিসেবে এস আর পদে যোগদান করেন,
বিভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করেন, কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কোম্পানির এস আর দের সাথে, বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলেন, তার সাথে প্রান কোঃ ডি এস আর মোঃ রাকিব হোসেনের কাছ থেকে ০৬/০২/২৬ ইং, দুই বারে ২৫০০০ টাকা ধার নেন, দুই মাসের কথা বলে, তবে প্রমাণ স্বরূপ একটি কাগজ রয়েছে বলে, মোঃ রাকিব হোসেন দৈনিক যুগ যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এবং সোনা পুর বাজার চিতোষী রোড নিউ আল্লাহর দান স্টোরের মালিক মোঃ হাতেম আলী এর কাছ থেকে বাকি কিনা কাটা করতেন,এই সুবাদে একটির বাঁকির খাতা সৃষ্টি হয়, দু’বছর ধরে খাতায় জমা হয়েছে ৮২৬৩ টাকা পরিশোধ না করে চলে যান। তার সাথে প্রান কোঃ এস আর মোঃ সোহাগ হোসেনের কাছ থেকে ধার নেন ১০০০ টাকা পরিশোধ না করে চলে যা। শুধু তাই নয়, ভয়ংকর ফাঁদ সামনে রয়েছে।ইফাদ গ্রুপের এস আর মোঃ জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫৫০০ টাকা ধার নেন পরিশোধ না করে চলে যান। মোঃ আরিফ হোসেন আবুল খায়ের কোঃ এস আর ১২৫০০ টাকা ধার নেন পরিশোধ না করে চলে যান।এর পর প্রান কোঃ রামগঞ্জ থানার ডিলার মেসার্স তছলিম ট্রেডার্সের মালিক মোঃ বাবলুর কাছ থেকে মার্কেটৈর বাকী দেখাইয়া প্রায়,৩৫,০০০ টাকা,যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তাকে ও সাড় দেননি, বাড়ির মালকিন ,মোসা শামছুর নাহারের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা কয়েক মাসের কথা বলে ধার নেন এবং ৭ মাসের বাড়ি ভাড়া বাকি রয়েছে ২১০০০ টাকা ৭ মাসের কারেন্ট বিল,৩১৫০ সহ পরিশোধ না করে চলে যান, সাধারণত টের পান, ভুক্তভোগীরা তৎখানাত তাদেরকে খোজতে বের হন, এবং রামগঞ্জ ট্রান্সপোর্টৈর মধ্যে তাদের কিছু মাল পাওয়া যায়, তবে তাদের নামে নয়, বরং প্রতারক সাগর হোসেনের শাশুড়ির নামে, তাঁর শুশুর বাড়ি ঝিনাইদহে সূত্রে জানা গেছে। ট্রান্সপোর্টের ঐ ঠিকানায় যোগাযোগ করতে গেলে ফোন প্রতারক সাগর হোসেনের শাশুড়ি ফোন রিসিভ করেন, এবং পরবর্তীতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা, লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জ থেকে সর্বমোট এই পর্যন্ত কতটুকু খবর পাওয়া গেছে ১২০,৪১৩ টাকার ও ৩৯৫৮৭ প্রতারনা করে টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রান কোঃ এস আর মোঃ সাগর হোসেন, ভুক্তভোগীরা দৈনিক যুগান্তরকে জানান আমরা আইনের ব্যবস্থা এবং ঝিনাইদহ ও তার নিজ এলাকা মাগুরা শ্রীপুর গ্রাম চরজোকা এলাকাবাসীর কাছে এর বিচার দাবি জানান এবং তারই সাথে এ প্রতারকের দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা যেন করেন, তবে আরো ঘাঁটলে হয়তো থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে। প্রতারক মোহাম্মদ সাগর হোসেন বর্তমানে, ঝিনাইদাহ তার নিজ শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা বাংলাদেশ সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে , মাগুরা জেলা, উপজেলা শ্রীপুর, গ্রাম চরজোকা শুকুর আলীর পুত্র সাগর হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান একই সাথে ওদের অর্থ গুলোকে আদায় করে দেয়ার জন্য বাংলার সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।