শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরের শ্রীবরদীতে সেতুর নিচে খাল থেকে ড্রামের ভেতর উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ওই নারীর নাম ঝিনুক (২৮)। তার বাবার নাম সাকিল। তার ঠিকানা গাজীপুরের টঙ্গী বলে জানা গেছে। তবে ওই ঠিকানায় ঝিনুক একসময় ভাড়া থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সেখানে তাদের কেউ বসবাস করছেন না বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কুড়িকাহুনিয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুড়েমনি খাল থেকে ড্রামের ভেতর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে হত্যার পর মরদেহ ড্রামে ভরে সেতুর নিচে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় কয়েকজন ব্যক্তি সেতুর নিচে খালের মধ্যে একটি ড্রাম দেখতে পান। ড্রামের মুখ খোলা থাকায় ভেতরে মানুষের শরীরের মতো কিছু দেখতে পেয়ে তারা কাছে যান। পরে ড্রামের ভেতরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করে পিবিআই। বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানোর পর ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়। তবে তাঁর দেওয়া ঠিকানায় স্বজনদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহের পরিচয়সংক্রান্ত একটি ঠিকানা পাওয়া গেছে। তবে ওই ঠিকানায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। দ্রুতই নিহত নারীর স্বজনদের পরিচয় ও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।